১। কনডেনসেশনঃ সাইট্রেট সিনথেটেজ-এর সহায়তায় অ্যাসিটাইল কো-এ কনডেনসিং এনজাইমের কার্যকারীতায় অ্যাসিটাইল কো-এ এবং অক্সালো অ্যাসিটিক এসিড বিক্রিয়া করে সাইট্রিক এসিড উৎপন্ন করে।
অ্যাসিটাইল কো-এ + অক্সালো অ্যাসিটিক এসিড→ সাইট্রিক এসিড
২। আইসোমারিসেশনঃ অ্যাকোনাইটেজ এনজাইমের প্রভাবে সাইট্রিক এসিড থেকে সিস-অ্যাকোনাইটিক এসিড এবং পরে সিস-অ্যাকোনাইটিক এসিড হতে আইসোসাইট্রিক এসিড উৎপন্ন হয়।
সাইট্রিক এসিড→ সিস-অ্যাকোনাইটিক এসিড→ আইসোসাইট্রিক এসিড
৩। ডিহাইড্রোজিনেশনঃ আইসোসাইট্রেট ডিহাইড্রোজিনেজ এনজাইমের কার্যকারীতায় আইসোসাইট্রিক এসিড হতে অক্সালো সাকসিনিক এসিড উৎপন্ন হয়। এ সময় বিক্রিয়ায় NADP অংশ গ্রহণ করে NADPH+H+ উৎপন্ন করে। বিক্রিয়াটি উভমুখী।
আইসোসাইট্রিক এসিড+NADP ←→ অক্সালো সাকসিনিক এসিড+ NADPH+H+
৪। ডিকার্বোক্সিলেশনঃ অক্সালো সাকসিনেট কার্বোক্সিলেজ এনজাইমের প্রভাবে অক্সালো সাকসিনিক এসিড, আলফা কিটো গ্লুটারিক এসিডে পরিনত হয়।
অক্সালো সাকসিনিক এসিড→ আলফা কিটো গ্লুটারিক এসিড +CO2
৫। অক্সিডেটিভ ডিকার্বোক্সিলেশনঃ আলফা কিটোগ্লুটারেট ডিহাইড্রোজিনেজ এনজাইমের সহায়তায় আলফা কিটো গ্লুটারিক এসিড হতে সাকসিনাইল কো-এ উৎপন্ন হয়। এ সময় বিক্রিয়ায় NADP অংশ গ্রহণ করে NADPH+H+
উৎপন্ন করে।
আলফা কিটো গ্লুটারিক+NADP→ সাকসিনাইল কো-এ + NADPH+H+
৬। ATP সিনথেসিসঃ সাকসিনিল কো-এ সিনথেটেজ এনজাইমের উপস্থিতিতে সাকসিনাইল কো-এ থেকে সাকসিনিক এসিড উৎপন্ন হয়। এ সময় বিক্রিয়ায় ADP অংশ গ্রহণ করে ATP উৎপন্ন করে। বিক্রিয়াটি উভমুখী।
সাকসিনাইল কো-এ+ADP←→ সাকসিনিক এসিড +ATP
৭। ডিহাইড্রোজিনেশনঃ সাকসিনিল ডিহাইড্রোজিনেজ এনজাইমের কার্যকারীতায় সাকসিনিক এসিড হতে ফিউমারিক এসিড উৎপন্ন হয়। এ সময় বিক্রিয়ায় FAD অংশ গ্রহণ করে FADH2 উৎপন্ন করে। বিক্রিয়াটি উভমুখী।
সাকসিনিক এসিড + FAD ←→ ফিউমারিক এসিড + FADH2
৮। হাইড্রেশনঃ ফিউমারেজ এনজাইমের উপস্থিতিতে ফিউমারিক এসিড, ম্যালিক এসিডে পরিনত হয়। বিক্রিয়াটি উভমুখী।
ফিউমারিক এসিড ←→ ম্যালিক এসিড
৯। ডিহাইড্রোজিনেশনঃ ম্যালেট ডিহাইড্রোজিনেজ এনজাইমের সহায়তায় ম্যালিক এসিড হতে অক্সালো অ্যাসিটিক এসিড উৎপন্ন হয়। এ সময় বিক্রিয়ায় NADP অংশ গ্রহণ করে NADPH+H+ উৎপন্ন করে।
ম্যালিক এসিড+NADP→ অক্সালো অ্যাসিটিক এসিড+NADPH+H+
এরপর উৎপন্ন অক্সালো অ্যাসিটিক এসিড পুনরায় ক্রেব্স চক্রে প্রবেশ করে এবং চক্রটিকে সচল রাখে।