যান্ত্রিক পরিপাক
১। লালারসের পানি খাদ্যকে সিক্ত ও নরম করে। পানি মুখকে আর্দ্র করে এবং স্বাদ অনুভব করে। লালারস খাদ্যকে চর্বণে এবং গলাধঃকরণে সাহায্য করে।
২। জিহ্বার স্বাদ কুঁড়িগুলো সিক্ত খাদ্য থেকে অনুভূতি গ্রহণ করে। তখন খাদ্যের স্বাদ বুঝা সম্ভব হয়।
৩। মিউসিন খাদ্যকে লুবিকেট দলায় পরিনত করে।
৪। লালা খাদ্যকে চর্বণ ও গলাধঃকরণে সহায়তা করে। এসিড ও ক্ষারকে প্রশমন করতে সাহায্য করে।
৫। লালায় বিদ্যমান ক্লোরাইড অ্যামাইলেজকে সক্রিয় করে।
৬। লালার বাইকার্বনেট বাফার হিসেবে কাজ করে। ইহা মুখের এসিডের শক্তি কমিয়ে দাঁতের এনামেল ক্ষয়রোধ করে।
৭। লালার ইমিউনোগ্লোবিউলিন এন্টিব্যাকটেরিয়াল হিসেবে কাজ করে।
৮। লালা দাঁত থেকে খাদ্যের ধ্বংসাবশেষ পরিষ্কার করে এবং মুখের নরম অংশের সংবেদনশীলতা বজায় রাখে।
রাসায়নিক পরিপাক
১। টায়ালিন এনজাইম স্টার্চ ও গ্লাইকোজেনকে ভেঙ্গে মল্টোজ, মল্টোট্রায়োজ ও আইসোমল্টোজে পরিনত করে
২। মল্টেজ এনজাইমের প্রভাবে মল্টোজ গ্লুকোজে রুপান্তরিত হয়।