১। খাবার ও পানীয় দ্রব্য গ্রহণের সময় অবশ্যই সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।
২। রক্ত দেওয়া বা নেওয়ার আগে অবশ্যই হেপাটাইটিস B ও C এর উপস্থিতি পরীক্ষা করে নিতে হবে।
৩। রোগীর ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে না আসা।
৪। সেলুনে সেভ করার সময় আলাদা ব্লেড ব্যবহার করা। সেলুনে সেভ না করা ভাল।
৫। সিরিঞ্জ এবং ইনজেশনের যন্ত্রপাতি জীবাণু মুক্ত রাখা। সর্বক্ষেত্রে ডিসপোজিবল সিরিঞ্জ ব্যবহার করা।
৬। রোগীর রেজার, টুথব্রাশ, নেল কাটার, ত্বক ফোটানো ও রক্ত গ্রহণের যন্ত্রপাতি ব্যবহার না করা।
৭। ত্বকের কাটাছেঁড়া ও ক্ষত পরিষ্কার রাখা এবং ওয়াটার প্রুভ ব্যান্ডেজ দিয়ে ঢেকে দেওয়া।
৮। রোগাক্রান্ত ব্যক্তির সাথে যৌন মিলন করা যাবে না।
৯। সরকারী ও বেসরকারী ভাবে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা।
১০। প্যান্টাভ্যালেন্ট ভ্যাকসিন গ্রহণ করাই হলো প্রতিরোধের একমাত্র উপায়। হেপাটাইটিস-বি এর ভ্যাক্সিন ডোজ ৪টি। প্রথম ৩টি এক মাস পর পর এবং চতুর্থটি প্রথম ডোজ থেকে এক বছর পর নিতে হবে। পাঁচ বছর পর বুস্টার ডোজ নিতে হবে।