জিনোম সিকোয়েন্সিং এর দুইটি পদ্ধতি হলো– Chemical degradation method এবং Chain termination method। ১৯৭৬ সালে A. Maxam I W. Gilbert Chemical degradation method এবং ১৯৭৭ সালে F. Sanger I A.R. Coulsor Chain termination method আবিষ্কার করেন। জিনোম সিকোয়েন্সিং প্রক্রিয়া বর্ণনা করা হলো–
১। DNA অণুকে রিএজেন্ট সমৃদ্ধ করে ৪টি টেস্টটিউবে ভাগ করে নেওয়া হয়।
২। জেল ইলেক্টোফোরেসিস পদ্ধতিতে চারটি বিক্রিয়ায় প্রতিটিকে পৃথক করা হয়।
৩। রেডিওঅ্যাক্টিভ ব্যান্ড এর স্থান ও পরিমাণ (size) থেকে জিনোম সিকুয়েন্সিং নির্ণয় করা হয়।
৪। কম্পিউটারের সাহায্যে X-ray স্ক্যানার ব্যবহার করে ইলেক্টোফোরেসিস এর রেজাল্ট বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যা করা হয়।