জিনোম সিকোয়েন্সিং ।। আগাম বৈশিষ্ট্য ও রোগ নির্ধারণে জিনোম সিকোয়েন্সিং

ভ্রুণ থেকে নমুনা নিয়ে সিকোয়েন্স করে শিশুর ভবিষৎ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। শিশুর ব্যবহার কেমন হবে, কিভাবে বেড়ে উঠবে, কতটুকু লম্বা হবে, কেমন শক্তিশালী হবে প্রভৃতি। ভ্রুণ অথবা সদ্যোজাত শিশুর জিনোম সিকোয়েন্সিং করে আগাম রোগ নির্ণয় করে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *