১। নিষেক প্রক্রিয়ায় ভিন্ন বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর মিলন ঘটে। তাই সৃষ্ট নতুন উদ্ভিদটি আকার, আকৃতি ও গঠনে ভিন্ন প্রকৃতির এবং বৈচিত্র্যময় হয়।
২। নিষেকের ফলে রোগ কাতর উদ্ভিদ থেকে রোগ প্রতিরোধী উদ্ভিদ সৃষ্টি হয়। রোগ প্রতিরোধী উদ্ভিদ বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের এবং বৈচিত্র্যের হয়।
৩। নিষেকের মাধ্যমে ভিন্ন দুটি উদ্ভিদের মিলনে এমন জাত সৃষ্টি হয় যা প্রতিকূল সহিঞ্চু। এ সব উদ্ভিদে প্রতিকূল প্রতিরোধী বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের সমাবেশ ঘটে। বৈচিত্র্যময় এসব উদ্ভিদ সহজেই খরা, বন্যা, লবণাক্ততা, অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি প্রভৃতি সহ্য করতে পারে।
৪। নিষেক প্রক্রিয়ায় ফসলী উদ্ভিদে বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য সৃষ্টি হয়। এসব উদ্ভিদের শস্যদানার আকার, বর্ণ, গন্ধ, স্বাদ প্রভৃতি ভিন্ন রকম হয়।