জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ।। জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর বিভিন্ন কৌশল

১। জিন সংযুক্তি (Gene fusion)ঃ যে প্রক্রিয়ায় দুই বা ততোধিক জিন সংযুক্ত করে একটি সংকর জিন সৃষ্টি করা হয় তাকে জিন সংযুক্তি বলে। ক্যান্সার সৃষ্টিকারী জিনের সাথে অন্য জিন সংযুক্ত করে ক্যান্সার গবেষণা করা হয়।

২। প্রোটোপ্লাস্ট ফিউশন (Protoplast fusion)ঃ দুইটি কোষের প্রোটোপ্লাস্ট সংযুক্ত করে দু’টি জিনের মিশ্রণ ঘটানোকে প্রোটোপ্লাস্ট ফিউশন বলে। আলু ও টমেটো উদ্ভিদের প্রোটোপ্লাস্টের ফিউশনে সৃষ্ট নতুন উদ্ভিদের নাম দেওয়া হয়েছে পোমাটো।

৩। জিন অ্যামপ্লিফিকেশন (Gene amplification)ঃ যে প্রক্রিয়ায় কোনো জিনের একাধিক প্রতিলিপি তৈরী করা হয় তাকে জিন অ্যামপ্লিফিকেশন বলে। এই প্রক্রিয়ায় ব্যাকটেরিয়াকে কাজে লাগিয়ে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, অ্যান্টিবায়োটিক, অ্যামাইনো এসিড প্রভৃতি উৎপাদন করা হয়।

৪। হাইব্রিডোমা সৃষ্টি (Creation of hybridoma)ঃ যে প্রক্রিয়ায় নির্দিষ্ট অ্যান্টিবডি প্রস্তুতকারী B-লিম্ফোসাইট কোষের সাথে ক্যান্সার কোষের মিলন ঘটিয়ে সংকর কোষ সৃষ্টি করা হয় তাকে হাইব্রিডোমা বলে। ১৯৭৫ সালে Cesar Milstein ও Geoorges Kohler হাইব্রিডোমা সৃষ্টির পদ্ধতি আবিষ্কার করেন।

৫। রিকম্বিনেন্ট DNA টেকনোলজিঃ বৈজ্ঞানিক ও প্রকৌশলনীতি অনুসরণ ও প্রয়োগ করে কাক্সিক্ষত DNA-কে প্লাজমিড DNA-এর সাথে সংযুক্ত করে যে নতুন বৈশিষ্ট সম্পন্ন নতুন DNA তৈরী করা হয় তাকে রিকম্বিন্যান্ট DNA বলে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *