(i) ডায়াসাইটিকঃ ইহা দুইটি সাবসিডিয়ারী কোষ দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকে এবং কোষ দুইটি রক্ষীকোষের সাথে সমকোণে অবস্থান করে। চিরতা, কলসী প্রভৃতি উদ্ভিদে ডায়াসাইটিক পত্ররন্ধ্র থাকে।
(ii) প্যারাসাইটিকঃ ইহা দুইটি সাবসিডিয়ারী কোষ দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকে এবং কোষ দুইটি রক্ষীকোষের সাথে সমান্তরালে অবস্থান করে। রঙ্গন উদ্ভিদে প্যারাসাইটিক পত্ররন্ধ্র থাকে।
(iii) অ্যানিসোসাইটিকঃ ইহা তিনটি সাবসিডিয়ারী কোষ দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকে এবং এদের মধ্যে একটি কোষ ছোট। সরিষা, তামাক, বেগুন প্রভৃতি উদ্ভিদে অ্যানিসোসাইটিক পত্ররন্ধ্র থাকে।
(iv) টেট্রাসাইটিকঃ ইহা চারটি সাবসিডিয়ারী কোষ দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকে।
(v) অ্যাকটিনোসাইটিকঃ ইহা অনেক গুলো লম্বা কোষ দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকে। Ebenaceae গোত্রের উদ্ভিদে অ্যাকটিনোসাইটিক পত্ররন্ধ্র থাকে।
(vi) অ্যানোমোসাইটিকঃ স্টোমাটা পরিবেষ্টনকারী কোষ গুলো সাধারণ কোষের সাথে যুক্ত থাকে। নয়নতারা ও কুমড়া জাতীয় উদ্ভিদে অ্যানোমোসাইটিক পত্ররন্ধ্র থাকে।
(vii) গ্রামিনিয়াসঃ পত্ররন্ধ্র দুইটি রক্ষীকোষ এবং দুইটি সহকারী কোষ দ্বারা আবৃত থাকে। ধান, গম, আখ, ভূট্রা, ঘাস প্রভৃতি উদ্ভিদে গ্রামিনিয়াস পত্ররন্ধ্র থাকে।