পুংগ্যামিটোফাইট ।। পুংগ্যামিটোফাইটের গুরুত্ব ।। Importance of male gametophyte

জীবজগতে উদ্ভিদের পুংগ্যামিটোফাইটের বিকাশের প্রভাব/ গুরুত্ব আলোচনা করা হলো।

১। পুংগ্যামিট সৃষ্টিঃ এই প্রক্রিয়ায় পুংগ্যামিটোফাইটের বিকাশ ঘটে। পুংগ্যামিটোফাইটের প্রধান কাজ হলো পুংগ্যামিট বা শুক্রাণু উৎপন্ন করা। প্রতিটি পুংগ্যামিটোফাইটে দুইটি করে শুক্রাণু উৎপন্ন হয়।

২। নিষেকঃ নিষেকের পূর্বশর্ত হলো শক্রাণু ও ডিম্বাণু উৎপন্ন হওয়া। পুংগ্যামিটোফাইট শুক্রাণু উৎপন্ন করে যা নিষেকে অংশ গ্রহণ করে।

৩। সস্যের উৎপত্তিঃ জীবজগতের খাদ্যের প্রধান উৎস হলো সস্য। পুংগ্যামিটোফাইটে উৎপন্ন শুক্রাণু সেকেন্ডারী নিউক্লিয়াসের সাথে মিলিত হয়ে সস্য উৎপন্ন করে।

৪। বীজ সৃষ্টিঃ এ প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট শুক্রাণু ডিম্বাণুর সাথে মিলিত হয়ে জাইগোট সৃষ্টি করে। জাইগোট সৃষ্টি হওয়ার পর ফুলের ডিম্বকটি বীজে পরিনত হয়।

৫। ফল সৃষ্টিঃ নিষেকের পর ফুলের গর্ভাশয় ধীরে ধীরে ফলে পরিনত হয়।

৬। বংশ রক্ষাঃ শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর মিলনের পর ফুলের ডিম্বকটি বীজে পরিনত হয়। পৃথিবীর অধিকাংশ উদ্ভিদ বীজ দ্বারা বংশ বৃদ্ধি করে। এ কারণে পুংগ্যামিটোফাইট উদ্ভিদের বংশরক্ষায় প্রধান ভূমিকা পালন করে।

৭। নতুন প্রজাতি সৃষ্টিঃ দুইটি ভিন্ন কোষ শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর মিলনে জাইগোট সৃষ্টি হয়। এতে নতুন বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন নতুন প্রজাতির উদ্ভব হয়।

৮। জীববৈচিত্র্য সৃষ্টিঃ পুংগ্যামিটোফাইটে উৎপন্ন শুক্রাণু ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করে জাইগোট সৃষ্টি করে। জাইগোট থেকে নতুন প্রজাতি সৃষ্টি হয়। নতুন প্রজাতির মাধ্যমে জীববৈচিত্র্যতা সৃষ্টি হয়।

উপরোক্ত আলোচনা থেকে বুঝা যায়, পুংগ্যামিটোফাইট হলো উদ্ভিদের জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ একটি কোষ। ইহা শুক্রাণু সৃষ্টি করে জীবনের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *