মুকুল অবস্থায় ফুলের বৃত্যংশ অথবা দলমন্ডল গুলো যে ভাবে সজ্জিত থাকে তাকে পুষ্পপত্রবিন্যাস বা এস্টিভেশন বলে। এস্টিভেশন কয়েক প্রকার হতে পারে। এগুলো হলো–
১। ওপেন বা মুক্তঃ মুকুল অবস্থায় ফুলের বৃত্যংশ অথবা দলমন্ডল গুলো পরস্পর মুক্ত অবস্থায় থাকলে তাকে ওপেন এস্টিভেশন বলে। যেমন– জবার উপবৃতি, গন্ধরাজের বৃতি প্রভৃতি।
২। ভালভেট বা প্রান্তস্পর্শীঃ মুকুল অবস্থায় ফুলের বৃত্যংশ অথবা দলমন্ডল গুলো পরস্পর প্রান্ত দ্বারা যুক্ত থাকলে তাকে ভালভেট বা প্রান্তস্পর্শী বলে। যেমন– জবা ফুলের বৃতি, আকন্দ, বাবলা, আতা প্রভৃতি।
৩। টুইস্টেড বা পাকানোঃ মুকুল অবস্থায় ফুলের বৃত্যংশ অথবা দলমন্ডল গুলো পরস্পর মোড়ানো বা পাকানো অবস্থায় থাকলে তাকে টুইস্টেড বা পাকানো বলে। যেমন– জবা, করবী প্রভৃতি।
৪। ইমব্রিকেটঃ মুকুল অবস্থায় ফুলের বৃত্যংশ অথবা দলমন্ডল গুলোর মধ্যে একটির উভয় প্রান্ত বাইরে, একটির উভয় প্রান্ত ভিতরে এবং বাকি গুলো মোড়ানো অবস্থায় থাকলে তাকে ইমব্রিকেট বলে। যেমন–কৃঞ্চচূড়া, কালকাসুন্দা, বাদরলাঠি প্রভৃতি।
৫। কুইনকানসিয়ালঃ মুকুল অবস্থায় ফুলের বৃত্যংশ অথবা দলমন্ডল গুলোর মধ্যে দুইটির উভয় প্রান্ত বাইরে, দুইটির উভয় প্রান্ত ভিতরে এবং বাকিটি মোড়ানো অবস্থায় থাকলে তাকে কুইনকানসিয়াল বলে। যেমন– পেয়ারা, সরিষা, আকন্দ ইত্যাদি।
৬। ভেক্সিলারীঃ মুকুল অবস্থায় ফুলের বৃত্যংশ অথবা দলমন্ডল গুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড়টি পাশের দু’টিকে এবং পাশের দু’টি নিচের ছোট তরীদল দু’টিকে ঢেকে রাখে তাকে ভেক্সিলারী বলে। যেমন– মটরশুটি, শিম, অপরাজিতা, অতসী, বকফুল ইত্যাদি।
৭। কনভ্যুলুটঃ মুকুল অবস্থায় ফুলের বৃত্যংশ অথবা দলমন্ডল গুলো সংযুক্ত ও সর্পিলাকারে সজ্জিত থাকলে তাকে কনভ্যুলুট বলে। যেমন– ভুঁই আকড়া।