বিশ্বখাদ্য নিরাপত্তায় পোয়েসী গোত্রের ভূমিকা ।। পোয়েসী গোত্র

১। ধান, গম, ভুট্রা, জোয়ার, যব, চিনা, কাউন প্রভৃতি মানুষের প্রধান খাদ্য যোগান দেয়। এদের মধ্যে ৪টি প্রজাতি ধান, গম, ভূট্রা ও আখ মানুষের ৬৩% শর্করার চাহিদা পুরণ করে। পৃথিবীর ৬০% মানুষের প্রধান খাদ্য ভাত। ৩৫% মানুষের প্রধান খাদ্য গম।ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
২। ধানের চাল থেকে ভাত, চিড়া, মুড়ি, পিঠা, পায়েস প্রভৃতি তৈরী করা হয়। পৃথিবীর অসংখ্য দেশে চিড়া, মুড়ি, পিঠা ও পায়েস জনপ্রিয় খাবার।
৩। গম থেকে আটা, ময়দা, সুজি প্রভৃতি পাওয়া যায়। রুটি, পাউরুটি, পরোটা, সিঙ্গারা, বিস্কুট প্রভৃতি তৈরীতে ইহা ব্যবহার হয়। পৃথিবীর সর্বত্র এসব খাবার সুপরিচিত। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৪। ভূট্রা থেকে পপকন, খই, কর্ণফ্লেক্স প্রভৃতি তৈরী হয়। ইহা হাঁস-মুরগীর খাদ্য হিসেবে ব্যবহার হয়। বিশ্বখাদ্য চাহিদা পূরণে ইহা অনস্বীকার্য। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৫। যব বা বার্লি থেকে আটা পাওয়া যায়। যবের ছাতু সহজপ্রাচ্য ও স্বাস্থ্যপ্রদ খাদ্য। ইহা হরলিক্স ও কমপ্ল্যান খাদ্য তৈরীতে ব্যবহার হয়। এসব খাদ্য বিশ্ব মানের। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৬। আখ থেকে গুড় ও চিনি পাওয়া যায়। এর মলাসেস থেকে ফার্মেন্টেশন প্রক্রিয়ায় অ্যালকোহল, ভিনেগার প্রভৃতি তৈরী করা হয়। চিনি এবং গুড় পৃথিবীর সর্বত্র অতি প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদান। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৭। অনেক উদ্ভিদের ফল ও বীজ খাদ্য হিসেবে ব্যবহার হয়। খাদ্য চাহিদা পূরণে ইহা ভূমিকা রাখে। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৮। কোন কোন উদ্ভিদের মূল, কান্ড, পাতা, ফুল প্রভৃতি খাদ্য হিসেবে ব্যবহার হয়। তাই খাদ্য চাহিদা পূরণে এর অবদান রয়েছে। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *