উদ্ভিদদেহে সালোকসংশ্লেষণ, শ^সন, খনিজ লবণ পরিশোষণ, ব্যাপন, অভিস্রবণ, ইমবাইবিশন, প্লাজমোলাইসিস প্রভৃতি জৈবিক ক্রিয়া ঘটে। এ সব জৈবিক ক্রিয়ায় প্রচুর পরিমাণ তাপ উৎপন্ন হয়। উদ্ভিদদেহে এসব তাপ জমা থাকলে জৈব রাসায়নিক কাজ ব্যাহত হতো। অধিক পরিমাণে তাপ জমা থাকলে উদ্ভিদ পুড়ে মারা যেত। প্রস্বেদন প্রক্রিয়ায় পত্ররন্ধ্রের মধ্য দিয়ে পানি বাষ্পাকারে নির্গত হয়। উদ্ভিদদেহে পানির প্রবাহ সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন কোষ থেকে তাপ পানির সাথে প্রবাহিত হয়। পানি বাষ্পাকারে নির্গত হওয়ার সময় তাপও বাইরে নির্গত হয়। প্রস্বেদন যত বেশি হয় তাপও তত বেশি নির্গত হয়। উদ্ভিদদেহের সর্বত্র তাপের সমতা রক্ষা পায়। এভাবে প্রস্বেদন উদ্ভিদদেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।