প্রস্বেদন ।। প্রস্বেদন কত প্রকার ও কী কী

প্রস্বেদনকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

১। পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন (Stomatal transpiration)ঃ উদ্ভিদের মূল দ্বারা শোষিত প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি পত্ররন্ধ্রের মাধ্যমে বাষ্পাকারে নির্গত হলে তাকে পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন বলে। পাতা হলো প্রধান প্রস্বেদন অঙ্গ। তবে ফুলের বৃতি ও পাপড়িতে পত্ররন্ধ্র থাকে। উদ্ভিদের মোট প্রস্বেদনের ৯৫-৯৮% হলো পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন।

২। কিউটিকুলার প্রস্বেদন (Cuticular transpiration)ঃ উদ্ভিদের মূল দ্বারা শোষিত প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি কিউটিন বা কিউটিকলের  মাধ্যমে বাষ্পাকারে নির্গত হলে তাকে কিউটিকুলার প্রস্বেদন বলে। উদ্ভিদ দেহকে শুষ্কতা থেকে রক্ষার জন্য বহিঃত্বকের উপর কিউটিন বা কিউটিকল বা স্নেহ পদার্থের আস্তরণ থাকে। কিউটিকল ভেদ করে পানি বাষ্পাকারে নির্গত হয়। উদ্ভিদের মোট প্রস্বেদনের ৫-১০% হলো কিউটিকুলার প্রস্বেদন।

৩। লেন্টিকুলার প্রস্বেদন (Lenticular transpiration)ঃ উদ্ভিদের মূল দ্বারা শোষিত প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি লেন্টিসেলের  মাধ্যমে বাষ্পাকারে নির্গত হলে তাকে লেন্টিকুলার প্রস্বেদন বলে। উদ্ভিদের সেকেন্ডারী বৃদ্ধির সময় কর্ক টিস্যুর স্থানে স্থানে লেন্টিসেল সৃষ্টি হয়। লেন্টিসেলের মধ্য দিয়ে পানি বাষ্পাকারে নির্গত হয়। উদ্ভিদের মোট প্রস্বেদনের ১% হলো লেন্টিকুলার প্রস্বেদন। এ ধরনের প্রস্বেদন দিন-রাত সব সময় ঘটে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Dr. Abu Bakkar Siddiq