১। DNA ফিঙ্গার প্রিন্টিং এর মাধ্যমে যে কোন অপরাধী সুনিশ্চিত ভাবে চিহ্নিত করা যায়।
২। DNA ফিঙ্গার প্রিন্টিং খুনি, ধর্ষক, ডাকাত প্রভৃতি শনাক্তকরণে খুবই কর্যকরী।
৩। DNA ফিঙ্গার প্রিন্টিং দ্বারা শিশুর পিতৃত্ব নির্ণয় করা হয়।
৪। DNA ফিঙ্গার প্রিন্টের মাধ্যমে নিকট আত্মীয়দের মধ্যে সম্পর্ক নির্ণয় করা হয়।
৫। এই পদ্ধতির সাহায্যে জেনেটিক ডাটাব্যাংক ও জমি রেজিস্ট্রি করা হয়।