বিভিন্ন ধরনের জীবের মধ্যে যে পরিবেশ বা বাস্তুসংস্থানিক পার্থক্য বা বিভিন্নতা দেখা যায় তাকে পরিবেশগত বৈচিত্র্য বা ইকোসিস্টেম ডাইভারসিটি বলে। প্রাকৃতিক পরিবেশের ভৌত, জৈব ও রাসায়নিক উপাদানের পরিবর্তন ঘটলে বাস্তুতাস্ত্রিক বৈচিত্র্যের উদ্ভব ঘটে। যেমন– মরু বায়োম, বনভুমির বায়োম, তৃণভুমির বায়োম, তুন্দ্রা বায়োম প্রভৃতি।
বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্যের গুরুত্ব (Importance of species diversity)
(i) বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য বর্জ্য পদার্থের বিয়োজন ঘটায় এবং মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে।
(ii) বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য উদ্ভিদের পরাগায়ন ও শিকার–শিকারী নিয়ন্ত্রণ করে।
(iii) বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য উৎপাদনশীলতা এবং পীড়ন বা চাপ সহনশীলতা নিয়ন্ত্রণ করে।
(iv) বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য জীবজগতের প্রয়োজনীয় কাঁচামালের যোগান দেয়।