১। কনিডিয়াঃ সূত্রাকার ব্যাকটেরিয়া থেকে কনিডিওফোর সৃষ্টি হয়। কনিডিওফোরে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কনিডিয়া উৎপন্ন হয়। কনিডিয়াগুলো শিকলের ন্যায় অবস্থান করে। পরিনত কনিডিয়া বিচ্ছিন্ন হয় এবং অনুকূল পরিবেশে অঙ্কুরিত হয়ে নতুন ব্যাকটেরিয়া সৃষ্টি করে। যেমন- Streptomyces।
২। গনিডিয়াঃ প্রতিকূল পরিবেশে সূত্রাকার ব্যাকটেরিয়ার প্রোটোপ্লাস্ট বিভক্ত হয়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশ সৃষ্টি করে। প্রতিটি অংশের চারিদেকে সাইটোপ্লাজম জমা হয়ে গনিডিয়া গঠন করে। পরিনত গনিডিয়া থেকে নতুন ব্যাকটেরিয়া সৃষ্টি হয়। যেমন- Leucothris।
৩। জুস্পোরঃ প্রতিকূল পরিবেশে ব্যাকটেরিয়া জুস্পোর সৃষ্টি করে। জুস্পোর থেকে নতুন ব্যাকটেরিয়া উৎপন্ন হয়। যেমন- Azotobactor, Rhizobium.
৪। এন্ডোস্পোরঃ প্রতিকুল পরিবেশে খাদ্যের অভাবে ব্যাকটেরিয়ার প্রোটোপ্লাস্ট সঙ্কুচিত হয়ে গোলাকার বা ডিম্বাকার ধারণ করে। এরপর পুরু আবরণী দ্বারা আবৃত হয়ে এন্ডোস্পোরে পরিনত হয়। একে রেস্টিং স্পোর বলা হয়। অনুকূল পরিবেশে রেস্টিং স্পোর থেকে নতুন ব্যাকটেরিয়ার জন্ম হয়। যেমন- Bacillus subtilis, Clostridium tetan, Escherichia coli .
৫। মাইক্রোসিস্টঃ মিক্সোব্যাকটেরিয়ার কতকগুলো কোষ একত্রিত হয়ে সোয়ার্ম গঠন করে। সোয়ার্ম এর প্রতিটি কোষ মাইক্রোসিস্টে পরিনত হয়। মাইক্রোসিস্ট থেকে নতুন ব্যাকটেরিয়ার জন্ম হয়। যেমন- Myxococcus fulvus, Chondromyces crocatus.