ভাস্কুলার বান্ডল ।। উদ্ভিদ শনাক্তকরণে ভাস্কুলার বান্ডলের ভূমিকা ।। ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

১। জাইলেম ও ফ্লোয়েমের মাঝখানে ক্যাম্বিয়াম টিস্যু না থাকলে তাকে বদ্ধ সমপার্শ্বীয়  ভাস্কুলার বান্ডল বলে। বদ্ধ সমপার্শ্বীয় ভাস্কুলার বান্ডল একবীজপত্রী উদ্ভিদের শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য।

২। জাইলেম ও ফ্লোয়েমের মাঝখানে ক্যাম্বিয়াম টিস্যু থাকলে তাকে মুক্ত সমপার্শ্বীয় ভাস্কুলার বান্ডল বলে। মুক্ত সমপার্শ্বীয় ভাস্কুলার বান্ডল দ্বিবীজপত্রী এবং নগ্নবীজী উদ্ভিদের শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য।

৩। মাঝখানে জাইলেম এবং তার উভয় পাশে ফ্লোয়েম অবস্থান করলে তাকে সমদ্বিপার্শ্বীয় ভাস্কুলার বান্ডল বলে। সমদ্বিপার্শ্বীয় ভাস্কুলার বান্ডল লাউ, কুমড়া, শশা প্রভৃতি উদ্ভিদে পাওয়া যায়।

৪। জাইলেম ও ফ্লোয়েম পৃথক পৃথক ভাবে বান্ডল গঠন করলে তাকে অরীয় ভাস্কুলার বান্ডল বলে। অরীয় ভাস্কুলার বান্ডলের সংখ্যা পাঁচ এর কম হলে দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ হবে। অরীয় ভাস্কুলার বান্ডলের সংখ্যা ছয় এর বেশি হলে একবীজপত্রী উদ্ভিদ হবে।

৫। জাইলেম কেন্দ্রে থাকে এবং ফ্লোয়েম তাকে বেষ্টন করে রাখলে তাকে হ্যাড্রোসেন্ট্রিক বা অ্যাম্ফিক্রিবাল বলে। হ্যাড্রোসেন্ট্রিক ভাস্কুলার বান্ডল পাওয়া যায় Lycopodium, Selaginella, Pteris প্রভৃতি উদ্ভিদে।

৬। ফ্লোয়েম কেন্দ্রে থাকে এবং জাইলেম তাকে বেষ্টন করে রাখলে তাকে লেপ্টোসেন্ট্রিক বা অ্যাম্ফিভেসাল বলে। লেপ্টোসেন্ট্রিক ভাস্কুলার বান্ডল পাওয়া ড্রাসিনা (Dracaena), Yucca প্রভৃতি উদ্ভিদে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *