বাইরের কোন উদ্দীপনা ছাড়াই হৃৎপিন্ডের ক্রিয়া স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হওয়াকে মায়োজেনিক নিয়ন্ত্রণ বলে। স্তন্যপায়ীর হৃৎপিন্ড বিছিন্ন করে O2 সমৃদ্ধ লবণের দ্রবণে ৩৭ ডিগ্রী সে তাপমাত্রায় রেখে দিলে বাইরের কোন উদ্দীপনা ছাড়াই হার্টবিট চলতে থাকে। হৃৎপিন্ডের প্রাচীরের রুপান্তরিত পেশি মায়োজেনিক প্রকৃতির জন্য দায়ি। এরা সম্মিলিত ভাবে মায়োজেনিক চক্র নিয়ন্ত্রণ করে।
Kitch ও Flack-এর মতে, ডান অলিন্দের প্রাচীরে অবস্থিত SAN থাকে। ইহা বাইরের কোন উদ্দীপনা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইলেকট্রিকাল সিগন্যাল সৃষ্টি করে। এই ইলেকট্রিকাল সিগন্যাল ডান অলিন্দের প্রাচীরে ছড়িয়ে পড়ে। পরে ডান অলিন্দ থেকে বাম অলিন্দে পৌছে। ফলে অলিন্দ দুইটি একই সাথে সংকুচিত হয়। অতঃপর ইলেকট্রিকাল সিগন্যাল SAN থেকে AVN-এ আসে। AVN থেকে সিগন্যাল বান্ডল অব হিজে পৌছে। এরপর বান্ডল অব হিজ থেকে সিগন্যাল নিলয়ের পারকিনজি ফাইবারে পৌছে। পারকিনজি সূত্রকের মাধ্যমে উদ্দীপনা নিলয়ের প্রাচীরে সঞ্চারিত হয়। ফলে নিলয় সংকুচিত হয়।