১। খাদ্যসার পরিবহনঃ রক্তরসের মাধ্যমে অ্যামাইনো এসিড, গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ, ফ্যাটি এসিড, গিøসারল প্রভৃতি পরিবাহিত হয়।
২। পানি পরিবহনঃ ইহা দেহে পানি পরিবহন ও পানি সমতা নিয়ন্ত্রণ করে।
৩। রেচন নিষ্কাশনঃ দেহে উৎপন্ন ক্ষতিকর বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশনে রক্তরস অংশ নেয়।
৪। তাপ সমতাঃ ইহা দেহের সর্বত্র তাপের সমতা নিয়ন্ত্রণ করে।
৫। রোগ প্রতিরোধঃ ইহা দেহকে রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
৬। অভিস্রবণ চাপঃ রক্তরস প্লাজমাপ্রোটিনের সাহায্যে রক্তের অভিস্রবণ চাপ রক্ষা করে।
৭। রক্ত জমাট বাঁধাঃ ইহাতে প্লাজমাপ্রোটিন থাকায় রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে।
৮। রক্তকণিকা ধারণঃ ইহা রক্তের লোহিতকণিকা, শ্বেতকণিকা ও অনুচক্রিকা ধারণ করে।
৯। রক্তের তরলতা রক্ষাঃ ইহাতে ৯১% পানি থাকায় রক্তের তরলতা রক্ষা করে।
১০। অম্ল-ক্ষার সমতাঃ রক্তের অম্ল-ক্ষারের সমতা রক্ষা করে।