লাইকেনের প্রজনন পদ্ধতি হলো–
১। অঙ্গজ জননঃ খন্ডায়ন এবং ক্রমাগত মৃত্যু ও পচন প্রক্রিয়ায় লাইকেনের অঙ্গজ জনন ঘটে। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
২। অযৌন জননঃ স্পোর উৎপাদনের মাধ্যমে লাইকেনের অযৌন জনন ঘটে। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
(i) সোরেডিয়াম (Soredium)ঃ সোরেডিয়াম হলো ছত্রাক দ্বারা আবৃত শৈবালের ক্ষুদ্রাকার দেহ। ইহা বাতাস দ্বারা চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং অনুকূল পরিবেশে অঙ্কুরিত হয়ে নতুন লাইকেন গঠন করে।
(ii) ইসিডিয়াম (Isidium)ঃ ইসিডিয়াম হলো ক্ষুদ্রাকার প্যাপিলার মতো স্পোর। ইহা বৃদ্ধিপ্রাপ্ত ও রুপান্তরিত হয়ে নতুন লাইকেন গঠন করে।
(iii) পিকনিডিয়াম (Pycnidium)ঃ পিকনিডিয়ামের ভিতরে পিকনিডিওস্পোর উৎপন্ন হয়। পিকনিডিওস্পোর অঙ্কুরিত হয়ে নতুন লাইকেন গঠন করে। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
(iv) ফাইলিডিয়াম (Phylidium)ঃ ফোলিওজ লাইকেনে পত্র সদৃশ ফাইলিডিয়া উৎপন্ন হয়। লাইকেন ফাইলিডিয়া দ্বারা বংশবৃদ্ধি ঘটায়।
৩। যৌনজননঃ লাইকেনের জনন অঙ্গ হলো অ্যাস্কোকার্প বা ব্যাসিডিওকার্প। প্লাজমোগ্যামির মাধ্যমেও লাইকেনের যৌন জনন ঘটে। লাইকেনের পুংজননাঙ্গকে স্পার্মাগোনিয়া এবং স্ত্রীজননাঙ্গকে কার্পোগোনিয়া বলে। স্পার্মাগোনিয়ামে পুংগ্যামিট এবং কার্পোগোনিয়ামে স্ত্রীগ্যামিট উৎপন্ন হয়। পুংগ্যামিট ও স্ত্রীগ্যামিট মিলিত হয়ে জাইগোট সৃষ্টি করে। জাইগোট অঙ্কুরিত হয়ে নতুন লাইকেন গঠন করে। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স