১। শৈবাল এককোষী বা বহুকোষী, ফিলামেন্টাস, কলোনিয়াল বা মাইসেলিয়্যাল।
২। এদের দেহকে মূল, কান্ড ও পাতায় ভাগ করা যায় না। অর্থাৎ এরা থ্যালাস আকৃতির।
৩। এরা সবুজ, স্বভোজী ও স্বাবলম্বী। অর্র্থাৎ ফটোসিন্থেটিক পিগমেন্ট থাকে (ব্যতিক্রম- Polytoma)।
৪। শৈবালের প্লাস্টিডে এক বা একাধিক পাইরিনয়েড থাকে। ইহা শর্করা সঞ্চয় করে।
৫। শৈবাল প্রধানত গ্যামিটোফাইটিক উদ্ভিদ।
৬। এদের কোষ প্রাচীর সেলুলোজ ও পেকটিন নির্মিত (ব্যতিক্রম- Euglenophyta)।
৭। এদের সঞ্চিত খাদ্য শর্করা (সায়ানোব্যাকটেরিয়াতে গ্লাইকোজেন)। এছাড়া অ্যালকোহল, তেল ও চর্বি থাকতে পারে
৮। কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে।
৯। এদের ক্রোমাটিন বডিতে DNA, RNA ও প্রোটিন থাকে।
১০। এদের জননাঙ্গ এককোষী এবং বন্ধ্যা আবরণী দ্বারা আবৃত থাকে না (ব্যতিক্রম- Chara)।
১১। এদের স্পোরাঞ্জিয়াম বা রেণুস্থলী এককোষী। এককোষী স্পোর দ্বারা অযৌন জনন ঘটে।
১২। এদের পরিবহন কলা বা ভাস্কুলার বান্ডল থাকে না। অর্থাৎ এরা অভাস্কুলার।
১৩। এদের কোষ বিভাজন অ্যামাইটোসিস, মাইটোসিস ও মায়োসিস প্রকৃতির।
১৪। যৌন জনন আইসোগ্যামাস, অ্যানাইসোগ্যামাস ও ঊগ্যামাস প্রকৃতির।
১৫। এদের জীবন ধারণের জন্য সূর্যালোক অপরিহার্য।
১৬। এদের জীবনচক্রে কখনো বহুকোষী ভ্রƒণ সৃষ্টি হয় না। জীবনচক্রে সুস্পষ্ট জনুঃক্রম দেখা যায় না।
১৭। এরা অধিকাংশ জলজ। তবে স্থলজ, অর্ধজলজ, এপিফাইটিক ও এন্ডোফাইটিক হতে পারে।
১৮। এরা মরুজ, বায়বীয় ও বরফে জন্মাতে পারে।