অ্যামাইনো এসিডের শ্রেণীবিভাগ ।। Clasification of amino acid

উদ্ভিদ ও প্রাণী দেহে ২৮টি অ্যামাইনো এসিড রয়েছে। এগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
১। অ্যালিফ্যাটিক অ্যামাইনো এসিডঃ অ্যামাইনো এসিডের পার্শ্বশিকল গ্রুপটি (R) অ্যালিফ্যাটিক যৌগ হলে তাকে অ্যালিফ্যাটিক অ্যামাইনো এসিড বলে। অ্যালিফ্যাটিক অ্যামাইনো এসিডকে পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
(i) মনোঅ্যামিনো মনোকার্বক্সিলিক এসিডঃ যে অ্যামাইনো এসিডে একটি অ্যামিনো গ্রুপ এবং একটি কার্বক্সিল গ্রুপ থাকে তাকে মনোঅ্যামিনো মনোকার্বক্সিলিক এসিড বলে। যেমন- অ্যালানিন, লিউসিন, আইসোলিউসিন, গ্লাইসিন, ভ্যালিন প্রভৃতি
(ii) মনোঅ্যামিনো ডাইকার্বক্সিলিক এসিডঃ যে অ্যামাইনো এসিডে একটি অ্যামিনো গ্রুপ এবং দুইটি কার্বক্সিল গ্রুপ থাকে তাকে মনোঅ্যামিনো ডাইকার্বক্সিলিক এসিড বলে। যেমন- গ্লুটামিক এসিড, অ্যাসপারটিক এসিড প্রভৃতি।
(iii) ডাইঅ্যামিনো মনোকার্বক্সিলিক এসিডঃ যে অ্যামাইনো এসিডে দুইটি অ্যামিনো গ্রুপ এবং একটি কার্বক্সিল গ্রুপ থাকে তাকে ডাইঅ্যামিনো মনোকার্বক্সিলিক এসিড বলে। যেমন- লাইসিন, আরজিনিন প্রভৃতি।
(iv) মনোঅ্যামিনো মনোহাইড্রক্সিলিক এসিডঃ যে অ্যামাইনো এসিডে একটি অ্যামিনো গ্রুপ এবং একটি হাইড্রক্সিল গ্রুপ থাকে তাকে মনোঅ্যামিনো মনোহাইড্রক্সিলিক এসিড বলে। যেমন- সেরিন, থ্রিওনিন প্রভৃতি।
(v) সালফারযুক্ত অ্যামাইনো এসিডঃ যে অ্যামাইনো এসিডে অ্যামিনো গ্রুপ, হাইড্রোক্সিল গ্রুপ ও সালফার থাকে তাকে সালফারযুক্ত অ্যামাইনো এসিড বলে। যেমন- মিথিওনিন, সিস্টিন প্রভৃতি।
২। অ্যারোমেটিক অ্যামাইনো এসিডঃ অ্যামাইনো এসিডের পার্শ্বশিকল গ্রুপটি (R) অ্যারোমেটিক যৌগ হলে তাকে অ্যারোমেটিক অ্যামাইনো এসিড বলে। যেমন-ফিনাইল অ্যালানিন, টাইরোসিন ইত্যাদি।
৩। হেটারোসাইক্লিক অ্যামাইনো এসিডঃ অ্যামাইনো এসিডে অ্যালিফ্যাটিক ও অ্যারোমেটিক এর বিপরীত ধর্ম পরিলক্ষিত হলে তাকে হেটারোসাইক্লিক অ্যামাইনো এসিড বলে। যেমন- ট্রিপটোফ্যান, হিস্টিডিন, প্রোলিন প্রভৃতি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *