কোষচক্র দুইটি পর্যায়ে সম্পন্ন হয়। ইন্টারফেজ দশা এবং বিভাজন দশা।
ইন্টারফেজ দশা বা প্রস্তুতিমূলক পর্যায়
একটি কোষ পর পর দুই বার বিভাজিত হওয়ার মধ্যবর্তী সময়কে ইন্টারফেজ দশা বলে। এ অবস্থাটিকে বিশ্রাম দশা নামে আখ্যায়িত করা হয়। এ দশার নিউক্লিয়াসকে বলা হয় বিপাকীয় নিউক্লিয়াস। ইন্টারফেজ দশার বৈশিষ্ট্য হলো-
(i) ইন্টারফেজ দশায় বাহ্যিক উদ্দীপনা প্রদান করে ঈউক CDK (Cyclin Dependent Kinase) যৌগ।
(ii) ইন্টারফেজ দশায় অভ্যন্তরীণ উদ্দীপনা যোগায় বিভিন্ন ধরনের হরমোন ও গ্রোথ ফ্যাক্টর।
(iii) এ পর্যায়ে কোষে বিভিন্ন ধরনের বিপাকীয় কার্যকলাপ চলতে থাকে। নিউক্লিয়াসের আয়তন বৃদ্ধি পায় এবং বহু ক্রিয়া-বিক্রিয়া ঘটে বলে একে বিপাকীয় নিউক্লিয়াস বলা হয়।
(iv) এই পর্যায়ে DNA, RNA ও প্রোটিন সংশ্লেষণ ঘটে। তাই একে সংশ্লেষ পর্যায় বলা হয়।
(v) ক্রোমোসোমগুলো প্যাঁচানো অবস্থায় ক্রোমাটিনরুপে অবস্থান করে।
(vi) এ দশায় কোষে প্রয়োজনীয় শক্তি মজুদ থাকে।
(vii) এ দশায় কোষের আয়তন বৃদ্ধি সবচেয়ে বেশি ঘটে।
(viii) কোষের DNA-এর ডুপ্লিকেশন ঘটে, অর্থাৎ মোনাড ডায়াডে পরিনত হয়।
(ix) প্রাণীকোষের সেন্ট্রোজোমের বিভাজন ঘটে।
(x) এ পর্যায়ে সময় লাগে ৯০-৯৫%।