কোষের ইন্টারফেজ দশা ও বিভাজন দশাকে একত্রে কোষচক্র বলে। যে চক্রের মাধ্যমে কোষ সৃষ্টি, বৃদ্ধি এবং বিভাজন ঘটে তাকে কোষচক্র বলে। বিজ্ঞানী লিউইন (Lewin) এর মতে, দুইটি পর্যায়ক্রমিক কোষ বিভাজনের মধ্যবর্তী সময়কে কোষচক্র বলে। বিজ্ঞানী কার্প (Karp) এর মতে, কোষ বিভাজনের মাধ্যমে একটি কোষ থেকে দুটি কোষ সৃষ্টির মধ্যবর্তী পর্যায়ক্রমিক দশা গুলোকে কোষচক্র বলে। টার্গেট কোষের (যে কোষ বিভাজিত হবে) সার্ফেসে বিদ্যমান রিসেপ্টর প্রোটিনের সাথে গ্রোথ ফ্যাক্টর (বৃদ্ধি হরমোন) সংযুক্ত হয়ে কোষচক্র শুরুর নির্দেশ প্রদান করে। ১৯৫৩ সালে বিজ্ঞানী হাওয়ার্ড ও পেল্ক (Howard & Pelc) কোষচক্র পেশ করেন। ২০০১ সালে আমেরিকান বিজ্ঞানী লিল্যান্ড হার্টওয়েল (Leland H. Hartwell) কোষচক্রের প্রধান নিয়ন্ত্রক আবিষ্কার করেন।