(i) খাদ্য পরিপাকঃ E. coli ও Bacillus মানুষের খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে।
(ii) সেলুলোজ হজমঃ গবাদি পশুর অন্ত্রে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া থাকে। উহা সেলুলোজ হজমকারী এনজাইম সেলুলেজ উৎপন্ন করে। সেলুলেজ খড়, ঘাস, পাতা, কোষপ্রাচীর প্রভৃতি হজমে সাহায্য করে।
(iii) ভিটামিন তৈরীঃ মানুষের অন্ত্রে E. coli এবং অন্যান্য ব্যাকটেরিয়া ভিটামিন B1, B2, K, বায়োটিন প্রভৃতি উৎপাদন ও সরবরাহ করে।
(iv) ইনসুলিন তৈরীঃ ইনসুলিন হরমোন তৈরীতে E. coli ব্যাকটেরিয়া ব্যবহার হয়। ইহা ডায়াবেটিস রোগ নিয়ন্ত্রণ করে।
(v) জিন প্রকৌশলঃ জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং-এ Agrobacterium tumefaciens এবং E. coli ব্যাকটেরিয়ার গুরুত্ব অপরিসীম।
(vi) দুগ্ধজাত খাদ্য তৈরীঃ দুধ থেকে দই, পনীর, মাখন প্রভৃতি তৈরী করা হয়। এ সব খাদ্য তৈরীতে Streptococcus lactis, Lactobacillus প্রভৃতি ব্যাকটেরিয়া ব্যবহার হয়।
(vii) প্রোবায়োটিক ব্যাকটেরিয়াঃ মানুষের পরিপাকতন্ত্রে প্রায় ৫০০ প্রজাতির ব্যাকটেরিয়া মিথোজীবী হিসেবে বাস করে। এ সব ব্যাকটেরিয়াকে প্রোবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া বলে। প্রোবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া মানুষের খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে। তাই এদেরকে মানুষের বন্ধু ও সাহায্যকারী ব্যাকটেরিয়া হিসেবে গণ্য করা হয়।