১। খাদ্যসার পরিবহনঃ লসিকা অ্যামাইনো এসিড, গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ, ফ্যাটি এসিড, গিøসারল প্রভৃতি কোষে পরিবহন করে।
২। অক্সিজেন পরিবহনঃ লসিকা অক্সিজেনকে দেহের বিভিন্ন অংশে পৌছে দেয়।
৩। কার্বন ডাই অক্সাইড পরিবহনঃ ইহা কার্বন ডাই অক্সাইডকে দেহের বিভিন্ন অংশ হতে হৃৎপিন্ডে নিয়ে আসে।
৪। খাদ্য শোষণঃ ইহা চর্বি জাতীয় খাবার শোষণ করে।
৫। ভিটামিন পরিবহনঃ লসিকার মাধ্যমে ভিটামিন পরিবাহিত হয়।
৬। রোগ প্রতিরোধঃ ইহা অ্যান্টিবডি তৈরীর মাধ্যমে দেহকে রোগ প্রতিরোধী করে।
৭। জীবাণু ধ্বংসঃ দেহে কোন জীবাণু প্রবেশ করলে লসিকা ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণু ভক্ষণ করে দেহকে রক্ষা করে।
৮। তাপমাত্রা সমতাঃ রক্তের মাধ্যমে দেহের সর্বত্র তাপের সমতা নিয়ন্ত্রিত হয়।
৯। লিপিড পরিবহনঃ লসিকার মাধ্যমে লিপিড পরিবাহিত হয়।
১০। প্রতিরক্ষাঃ লসিকায় লিম্ফোসাইট ও মনোসাইট থাকে। লিম্ফোসাইট ও মনোসাইট প্রতিরক্ষা অবদান রাখে।
১১। লিপিড পরিবহনঃ লসিকার মাধ্যমে লিপিড পরিবাহিত হয়।
১২। দেহরসের পুনর্বন্টনঃ লসিকা দেহের এক অংশ থেকে তরল পদার্থ অন্য অংশে পরিবহন করে। ফলে দেহ রসের পুনর্বন্টন ঘটে।