(i) ভিটামিন তৈরীঃ মানুষের পরিপাকতন্ত্রে বসবাসকারী E. coli ব্যাকটেরিয়া ভিটামিন- B, ভিটামিন- K2, থায়ামিন, রিবোফ্ল্যাভিন, ফলিক এসিড, বায়োটিন প্রভৃতি সংশ্লেষণ করে। বর্তমানে গাঁজন প্রক্রিয়ায় ভিটামিন তৈরীতে কয়েক প্রজাতির ব্যাকটেরিয়া ব্যবহার হচ্ছে।
(ii) দুগ্ধ শিল্পেঃ Lactobacillus ও Streptococcus ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে দুধ থেকে ছানা, পনির, মাখন, ঘি, ঘোল প্রভৃতি তৈরী করা হয়।
(iii) চামড়া শিল্পেঃ টেনিন প্রক্রিয়ায় চামড়া থেকে লোম ছাড়ানো হয়। এরপর ব্যাকটেরিয়ার প্রোটিয়েজ এনজাইম ব্যবহার করে কাঁচা চামড়া পাঁকানো ও নমনীয় করা হয়।
(iv) প্রক্রিয়াজাতকরণেঃ চা, কফি, তামাক প্রভৃতি প্রক্রিয়াজাতকরণে ব্যাকটেরিয়া নিঃসৃত এনজাইম দরকার হয়। এর ফলে স্বাদ ও গন্ধের উৎপত্তি ঘটে। এ ক্ষেত্রে Bacillus megaterium ব্যাকটেরিয়া ব্যবহার হয়।
(v) জৈব গ্যাস তৈরীঃ বর্তমানে ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে গোবর ও ময়লা আবর্জনা পচিয়ে মিথেন, বিউটেন প্রভৃতি জৈব গ্যাস তৈরী করা হচ্ছে। Bacillus, E. coli, Clostridium, Methanococcus প্রভৃতি ব্যাকটেরিয়া বায়োগ্যাস উৎপন্ন করে।
(vi ) লবণ তৈরীঃ টেস্টিং লবণ তৈরীতে ব্যাকটেরিয়া ব্যবহার হয়।
(vii) রসায়ন শিল্পেঃ ভিনেগার (Acetobacter xylinum), ল্যাকটিক এসিড (Bacillus lacticacidi), অ্যাসিটোন (Clostridium acetobutylicum), অ্যালকোহল, এনজাইম, ভিটামিন প্রভৃতি রাসায়নিক পদার্থ তৈরী করতে ব্যাকটেরিয়া ব্যবহার হয়।
(viii) এনজাইম তৈরীঃ Bacillus subtilis, Clostridium histolyticum, Trichoderma konigi প্রভৃতি প্রজাতির ব্যাকটেরিয়া থেকে এনজাইম উৎপাদন করা হয়।
(ix) অ্যালকোহল ও এসিড উৎপাদনঃ Clostridium ও Bacillus ব্যাকটেরিয়া ব্যবহার করে স্টার্চ থেকে বিভিন্ন এসিড ও অ্যালকোহল উৎপন্ন করা হয়।