হার্ট ফেইলর কী। হার্ট ফেইলরের কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার । Heart failure । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

হৃৎপিন্ডের অ্যাট্রিয়াম ও ভেন্ট্রিকলের সংকোচন ক্ষমতা লোপ পাওয়াকে হার্ট ফেইলর বলে।

হার্ট ফেইলর-এর কারণ

১। দেহে রক্ত সঞ্চালন কমে গেলে

২। হৃৎপেশি নষ্ট হয়ে গেলে

৩। হার্ট অ্যাটাক, উচ্চ রক্তচাপ, অ্যামাইলয়ডসিস হলে

৪। অ্যালকোহল ও ওষুধের অপব্যবহার

৫। ধুমপান ও মদপান

৬। থাইরয়েড হরমোন বেশি নিঃসরণ

৭। হৃৎপিন্ডের কপাটিকার জটিলতা

৮। হৃৎপিন্ডের ছ›ন্দোপতন হলে

৯। হৃৎপিন্ডে বংশগত রোগ ও ছন্দোপতন

১০। অতিমাত্রায় রক্তশুণ্যতা

১১। কার্ডিও মায়োপ্যাথি ও ইশকেমিয়া ডিজিস

১২। অত্যধিক মানসিক চাপ, বার্ধক্য, জেনেটিক কারণে

হার্ট ফেইলর-এর লক্ষণ

১। দেহের ওজন বৃদ্ধি পাওয়া

২। শ্বাস-প্রশ্বাসে জটিলতা এবং ফোঁস ফোঁস শব্দ

৩। শ্বাস কষ্ট এবং দ্রæত হৃদস্পন্দন

৪। হৃৎপিন্ডের আকার বেড়ে যাওয়া

৫। ঘুমে বিঘœ সৃষ্টি হওয়া

৬। শুকনা কফ যা বের হয় না

৭। বমি বমি ভাব ও ক্ষুধামন্দা হওয়া

৮। স্মৃতিহীনতা এবং উঠা-বসার সময় ঘুমে ঢলে পড়ে

৯। হাত-পা ফুলে উঠা (ওডেমা)

১০। পায়ের পাতা, গোড়ালি, উদর ও যকৃত স্ফীত হয়।ু

১১। পায়ের পাতা ও ফুসফুসে পানি জমা

১২। পায়ের নিচের ত্বক শুষ্ক এবং লাল দাগ

১৩। রাতে প্রসাবের বেগ বেড়ে যাওয়া

১৪। পাকস্থলী ভরা মনে হয় এবং শরীরের ওজন কম

১৫। যে কোন কাজে ক্লান্তি ভাব।

হার্ট ফেইলর  প্রতিরোধ Heart failure

১। সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হওয়া

২। সুষম এবং হৃৎবান্ধব খাবার খাওয়া

৩। শাক-সবজি, ফল ও সালাদ খাওয়া।

৪। স্থুলতা প্রতিরোধ করা

৫। ধুমপান ও অ্যালকোহল পরিহার করা

৬। খাবারে আলাদা লবণ না খাওয়া

৭। শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা

৮। নিয়মিত পরিশ্রম করা

৯। প্রচুর বিশ্রাম নেয়া ১০। দেহের অতিরিক্ত পানি ও লবণ বের করে দেওয়া

১০। করোনারী বাইপাস সার্জারী বা এনজিওপ্লাস্ট করা

১১। হার্ট ট্রান্সপ্লান্ট করা যেতে পারে

১২। ইকোকার্ডিওগ্রাফি, বুকের এক্স-রে, ইলেকট্রোফিজিওলজি, অ্যানজিওগ্রাফি, রক্ত পরীক্ষা করা

১৩। হৃৎপিন্ডের কপাটিকা মেরামত, রিং বসানো, পেসমেকার বসানো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *