১। X-rayঃ বুকের Ki X-ray করে হৃৎপিন্ডের অবস্থান জানা যায়।
২। ইসিজি (Electrocardiogram)ঃ ইসিজি করে হৃৎপিন্ডের প্রাথমিক রোগ নির্ণয় করা হয়।
৩। ইটিটি (Exercise Tolerance Test)ঃ ইটিটি দ্বারা হৃৎপিন্ডের অবস্থা বা কার্যক্ষমতা জানা যায়।
৪। রক্তের BNP (Brain Natriuretic Peptide) t BNP দ্বারা হার্ট ফেইলর সম্পর্কে জানা যায়।
৫। MRI (Magnetic Resonance Imaging) t MRI দ্বারা হৃৎপিন্ডের পেশির অবস্থা জানা যায়।
৬। করোনারী এনজিওগ্রামঃ করোনারী এনজিওগ্রাম দ্বারা রক্তনালির বøক নির্ণয় করা হয়।