কার্বোহাইড্রেট থেকে যে সব নতুন পদার্থ উৎপন্ন হয় তাদেরকে ডেরিভেটিভস্ বলে। কার্বোহাইড্রেট জাতক হলো চিনি জাতীয় উপাদান এবং অধিকাংশই প্রাকৃতিক। কয়েকটি কার্বোহাইড্রেট জাতক হলো-
১। স্যাকারিন বা সুইট-এন-লোঃ স্যাকারিন বা সুইট-এন-লো একটি আদিম কৃত্রিম মিষ্টান্ন। ইহা চিনির চেয়ে ৩০০ গুণ মিষ্টি।
২। গ্লুকোসামিনঃ গ্লুকোসামিন মানবদেহের সুপরিচিত অ্যামিনো শ্যুগার। ইহা গ্লাইকোস্যালেটিড লিপিড ও প্রোটিন উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। ইহা পলিমার হয়ে কাইটিন গঠন করে। ছত্রাক ও সন্ধিযুক্ত প্রাণীতে কাইটিন থাকে।
৩। গ্যালাক্টোসামিনঃ গ্যালাক্টোসামিন কোষ থেকে কোষে আন্তঃক্রিয়ায় ভূমিকা রাখে। ইহা তরুণাস্থির প্রধান দ্রব্য।
৪। গ্যালাক্টোসামিন অ্যাডিনোসিনঃ গ্যালাক্টোসামিন অ্যাডিনোসিন DNA ও RNA-এর গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
৫। শ্যুগার অ্যালকোহলঃ শ্যুগার অ্যালকোহল মিষ্টি জাতীয় পদার্থ। ডায়াবেটিস রোগীরা চিনির পরিবর্তে এটি ব্যবহার করে।
৬। অ্যামিনো শ্যুগার হেপারিনঃ অ্যামিনো শ্যুগার হেপারিন একটি দানাদার পদার্থ। ইহা ধমনীর প্রাচীরের মাস্ট কোষে থাকে। ইহা রক্ত জমাট প্রতিরোধ করে। ড. আবু বকর সিদ্দিক
৭। সায়ালিক এসিডঃ সায়ালিক এসিড হলো শ্যুগার অ্যামিন। ইহা মানুষকে দৈহিক ও মানসিক ভাবে সুস্থ রাখে।
৮। কনড্রয়টিন সালফেটঃ কনড্রয়টিন সালফেট তরুণাস্থির একটি উপাদান। ইহা চাপ প্রতিরোধ করে।
৯। অ্যাসকরবিক এসিড বা ভিটামিন-সিঃ অ্যাসকরবিক এসিড বা ভিটামিন-সি স্কার্ভিরোগ প্রতিরোধ করে।
১০। সুক্রেলোজ বা স্পিøন্ডাঃ সুক্রেলোজ বা স্পিøন্ডা একটি কৃত্রিম মিষ্টান্ন। ইহা চিনির চেয়ে ৬০০ গুণ মিষ্টি।