১। কোষচক্র সম্পন্ন হতে একটি নির্দিষ্ট সময় লাগে। কোষচক্রের সময়কালকে জনুকাল বলে।
২। কোষচক্র একটি জেনেটিক প্রোগ্রাম দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
৩। কোষচক্রের অভ্যন্তরীণ উদ্দীপনা প্রদান করে সাইক্লিন- cdk যৌগ।
৪। কোষচক্রের বাহ্যিক উদ্দীপনা প্রদান করে হরমোন ও গ্রোথ ফ্যাক্টর।
৫। দেহের কোন স্থানে কেটে গেলে অণুচক্রিকা গ্রোথ ফ্যাক্টর তৈরী করে। এই গ্রোথ ফ্যাক্টরের উদ্দীপনায় চারপাশের কোষ বিভাজিত হয়ে ক্ষতস্থান জোড়া লাগে।
৬। দেহের ইমিউন সিস্টেমের জন্য শে^ত রক্তকণিকা গ্রোথ ফ্যাক্টর তৈরী করে।
৭। বৃক্কে ইরিথ্রোপোইটিন উৎপন্ন হয়। ইরিথ্রোপোইটিন অস্থিমজ্জার লোহিত রক্তকণিকা উৎপাদনে সাহায্য করে।
৮। কোষের DNA ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলে P53 প্রোটিন কোষচক্র বন্ধ করে দেয়।
৯। কোষের DNA ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলে P53 প্রোটিন অ্যাপোপটোসিস প্রক্রিয়ায় কোষের মৃত্যু ঘটায়।
১০। অস্বাভাবিক বা অনিয়ন্ত্রিত কোষচক্র জীবদেহের বৃদ্ধি ও বিকাশ ব্যাহত করে। এমনকি ক্যান্সার সৃষ্টি করতে পারে।