গ্রিক শব্দ petros অর্থ stone বা পাথর এবং myzon অর্থ sucking বা চোষন নিয়ে Petromyzontida শব্দটি গঠিত। এরা ল্যামপ্রে (lamprey) নামে পরিচিত। সমুদ্র, মোহনায় এবং মিঠাপানিতে বাস করে। মৃতদেহ বা পচা বস্তুর সাথে লেগে থাকে। ল্যারিংক্স দিয়ে সাকশন পুল তৈরী করে পচা বস্তুকে মুখের ভিতরে টেনে নেয়। বয়স্ক প্রাণীরা জীবিত মাছের রক্ত চুষে খেতে পারে। এদের প্রজাতির সংখ্যা ৪১।
পেট্রোমাইজনটিডার বৈশিষ্ট্য
১। এদের দেহ সরু, লম্বাটে এবং জোড়া পাখনাবিহীন। লম্বা ১৩-১০০ সেমি।
২। এরা দেখতে ইল বা বাইন মাছের মতো।
৩। দেহ সবল প্রকৃতির এবং আঁইশবিহীন।
৪। এদের মেরুদন্ডে নটোকর্ড ও নিউরাল নালি (হবঁৎধষ পধহধষ) থাকে।
৫। মুখে চোষনক্ষম চুঙ্গি এবং কেরাটিন যুক্ত (হর্ণি) দাঁত থাকে।
৬। এদের সাত জোড়া ফুলকারন্ধ্র থাকে।
৭। নাসিকা থলি মুখগহ্বরে উন্মুক্ত নয়।
৮। এরা সামুদ্রিক হলেও ডিম ছাড়ার জন্য মিঠা পানিতে আসে এবং ডিম ছাড়ার কয়েক দিনের মধ্যেই মারা যায়।
৯। এরা ল্যাম্প্রে নামে পরিচিত।
১০। পরিপাকতন্ত্রে পাকস্থলী থাকে না এবং অন্ত্রে সর্পিল কপাটিকা থাকে।১১। বহিঃনিষেক ঘটে। জীবনচক্রে অ্যামোসিট লার্ভা দেখা যায়।
১২। যুগ্ন উপাঙ্গ ও বহিঃকঙ্কাল অনুপস্থিত। পৃষ্ঠীয় পাখনা ও পুচ্ছ পাখনা থাকে।
[বৈশিষ্ট্য মনে রাখার প্রধান শব্দঃ বাইন, আঁইশবিহীন, চুঙ্গি, কেরাটিন, ফুলকারন্ধ্র, ল্যাম্প্রে, অ্যামোসিট]উদাহরণঃ পেট্রোমাইজন (Petromyzon marinus), ল্যাম্পেট্রা (Lampetra tridentatus).