উদ্ভিদবিজ্ঞান

 

উদ্ভিদবিজ্ঞান (Botany)
গ্রীক শব্দ botanae বা phytos অর্থ plant বা উদ্ভিদ এবং logos অর্থ knowledge বা জ্ঞান নিয়ে Phytology শব্দটি গঠিত। জীববিজ্ঞানের যে শাখায় উদ্ভিদের গঠন, শারীরবৃত্ত, প্রজনন, জীবনচক্র, উৎপত্তি, বিবর্তন, বংশগতি, অভিযোজন, শ্রেণীবিভাগ, বিস্তার, অর্থনৈতিক গুরুত্ব ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা, পর্যালোচনা ও গবেষণা করা হয় তাকে Phytology বা Botany বা উদ্ভিদবিজ্ঞান বলে।
উদ্ভিদবিজ্ঞানের জনক (Father of Botany) হলো থিয়োফ্রাস্টাস।

 উদ্ভিদের প্রকারভেদ

উদ্ভিদের প্রকারভেদ
১। বীরুৎঃ ক্ষুদ্র ও নরম কান্ড বিশিষ্ট একবর্ষজীবী উদ্ভিদকে বীরুৎ বলে। যেমন- ধান, গম, ভুট্রা ইত্যাদি

২। উপগুল্ম ঃ গুল্মের চেয়ে ছোট আকৃতির উদ্ভিদকে উপগুল্ম বলা হয়। যেমন- দাঁতমর্দন, কালকাসুন্দা ইত্যাদি।
৩। গুল্মঃ গুড়িবিহীন শক্ত, কাষ্ঠল ও বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদকে গুল্ম বলে। যেমন- গোলাপ, জবা, ধুতুরা ইত্যাদি।
৪। বৃক্ষ ঃ গুড়িবিশিষ্ট শক্ত, কাষ্ঠল ও বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদকে বৃক্ষ বলে। যেমন- আম, জাম, কাঁঠাল ইত্যাদি।
৫। পরাশ্রয়ীঃ এরা অন্য উদ্ভিদকে আশ্রয় করে জন্মে।