গলজিবডির গুরুত্ব

গলজিবডির গুরুত্ব
১। গলজিবডি কোষ প্রাচীর গঠন করে।
২। কোষ ঝিল্লি গঠনে সাহায্য করে।
৩। কোষ বিভাজনের সময় কোষ প্লেট তৈরী করে।
৪। প্রোটিনকে শর্করার সাথে যুক্ত করে গ্লাইকল (glycol) উৎপন্ন করে। যে প্রক্রিয়ায় গ্লাইকল উৎপন্ন হয় তাকে গ্লাইকোস্যালেশন বলে।
৫। ইহা শুক্রাণুর অ্যাক্রোজোম সৃষ্টি করে।
৬। লাইসোজোম গঠনে সাহায্য করে।
৭। ইহা প্রোটিন এবং ভিটামিন-সি সঞ্চয় করে।
৮। খাদ্য দ্রব্য জমা রাখে।
৯। এনজাইম ও হরমোন নিঃসরণে সাহায্য করে।
১০। স্তন্যপায়ীর ক্যান্সার ও টিউমার কোষের গলজিবডি থেকে মেলানিন উৎপন্ন হয়।
১১। কোষের বিপাকীয় দ্রব্য ক্ষরণ করে।
১২। কোষকে ATP উৎপাদনে সাহায্য করে।
১৩। শর্করা থেকে গ্যালাকটোজ, সাইলিক এসিড, পেকটিন প্রভৃতি উৎপন্ন হয়।

উদ্ভিদ কোষে গলজি বডির গ্লাইকোপ্রোটিনের অলিগোস্যাকারাইডে পার্শ্ব শিকল যুক্ত করে। তাই উদ্ভিদ কোষে গলজিবডিকে কার্বোহাইড্রেট ফ্যাক্টরী বলা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *