নিউক্লিওসাইডঃ এক অণু পেন্টোজ শ্যুগার ও এক অণু নাইট্রোজেন ক্ষারককে নিউক্লিওসাইড বলে। ইহা দুই ধরনের। পিউরিন নিউক্লিওসাইড এবং পাইরিমিডিন নিউক্লিওসাইড।
নিউক্লিওটাইডঃ এক অণু ফসফেট এবং এক অণু নিউক্লিওসাইড মিলিত হয়ে নিউক্লিওটাইড গঠন করে। অথবা এক অণু পেন্টোজ শ্যুগার, এক অণু ফসফেট এবং এক অণু নাইট্রোজেন ক্ষারককে নিউক্লিওটাইড বলে। নিউক্লিওটাইড হলো নিউক্লিক এসিডের গাঠনিক একক। বিভিন্ন ধরণের নিউক্লিওটাইড হলো- AMP, GMP, CMP, UMP, TMP, dAMP, dGMP, dCMP, dUMP, dTMP প্রভৃতি।
ডাইনিউক্লিওসাইডঃ দুই অণু নিউক্লিওটাইডকে একত্রে ডাইনিউক্লিওটাইড বলে। নিউক্লিওটাইড দু’টি ফসফো-ডাইএস্টার বন্ধনী দ্বারা যুক্ত থাকে।
পলিনিউক্লিওসাইডঃ অনেকগুলো নিউক্লিওটাইড পরস্পর ফসফো-ডাইএস্টার বন্ধনী দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি লম্বা শিকল গঠন করে। একে পলিনিউক্লিওটাইড বলে। ডাইনিউক্লিওটাইড বলে। পলিনিউক্লিওটাইডে নিউক্লিওটাইড পরস্পর ৫‘-৩‘ মুখী ভাবে অবস্থান করে।
Thank you sir