পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম । Polycystics Ovary Syndrome- POS। ড.সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

রোগের কারণঃ পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম হলো তরুণীদের অ্যান্ড্রোজেন হরমোনের অতিরিক্ত ক্ষরণজনিত জটিল রোগ। হরমোনাল ভারসাম্যহীনতা, কায়িক পরিশ্রমহীনতা, ভেজালযুক্ত খাবার গ্রহণ, পরিবেশগত, বংশগত প্রভৃতি কারণে POS রোগটি হয়।

রোগের লক্ষণঃ ১২-২৫ বছর বয়সের ২-২৫% মেয়ে এই রোগে ভুগে। এই রোগের লক্ষণ হলো-  ডিম্বাশয়ের আকার বৃদ্ধি, ডিম্বাশয়ে বহু সিস্ট তৈরী, ওভিউলেশন বা ডিম্বপাত না ঘটা, অনিয়মিত রজঃচক্র, অতিরিক্ত রজঃস্রাব, গর্ভধারণে অসুবিধা, শ্রোণীচক্রে ব্যথা, মুখমন্ডলে প্রচুর ব্রণ ও আঁচিল উঠা, দেহের নানা স্থানে অস্বাভাবিক লোম গজানো, স্থুলতা, ডায়াবেটিস, হৃৎরোগ, জরায়ুর ক্যান্সার, বন্ধ্যাত্ব, গর্ভপাত, অকাল প্রসব, ত্বকে গাঢ় কালো দাগ প্রভৃতি।

রোগ নিরাময়ঃ রোগটি নিরাময়যোগ্য নয়। তবে শরীরের ওজন কমানো, সচল জীবন যাপন, নিয়মিত ব্যায়াম, হাঁটা-চলা প্রভৃতি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। ডাক্তারের পরামর্শে অ্যান্টি-অ্যান্ড্রোজেন ওষুধ (লেট্রোজোল, ক্লোমিফোন) এবং অ্যান্টি-ডায়াবেটিস ওষুধ (মেটমরফিন, লিনাগিøপটিন) ব্যবহার করলে কিছুটা কমানো যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *