একটি আদর্শ কশেরুকা তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা-
১। সেন্ট্রাম বা দেহঃ কশেরুকার প্রধান অংশ হলো সেন্ট্রাম। ইহা বড় এবং ডিম্বাকার অংশ। ইহা শক্ত, পুরু এবং স্পঞ্জি অস্থি।
২। নিউরাল আর্চঃ কশেরুকার পৃষ্ঠতল থেকে সৃষ্ট রিং বা আংটির মতো অংশকে আর্চ বলে। আর্চের অংশ গুলো হলো-
(i) পেডিকলঃ কশেরুকার পিছন থেকে সৃষ্ট মোটা, খাটো ও শক্ত অস্থিকে পেডিকল বলে।
(ii) ট্রান্সভার্স প্রসেসঃ পেডিকল ও ল্যামিনার সংযোগস্থল থেকে সৃষ্ট প্রবর্ধক দুটিকে ট্রান্সভার্স প্রসেস বলে।
(iii) ল্যামিনাঃ ট্রান্সভার্স প্রসেস ও স্পাইনাস প্রসেসের মাঝখানে অবস্থিত প্রশ্বস্ত, চাপা ও প্লেটের মতো অস্থি হলো ল্যামিনা
(iv) আর্টিকুলার প্রসেস বা জাইগাপোফাইসিসঃ প্রতিটি কশেরুকার সামনের দিকে প্রি-জাইগাপোফাইসিস (সুপিরিয়র) এবং পিছনের দিকে পোস্ট-জাইগাপোফাইসিস (ইনফিরিয়র) থাকে। একটি কশেরুকার সুপিরিয়র আর্টিকুলার প্রসেস অন্য কশেরুকার ইনফিরিয়র আর্টিকুলার প্রসেসের সাথে যুক্ত থাকে
(v) স্পাইনাস প্রসেসঃ ল্যামিনা থেকে সৃষ্ট প্রবর্ধককে স্পাইনাস প্রসেস বলে।
৩। ছিদ্র বা নালী (Neural foramen/canal)
(i) ইন্টারভার্টিব্রাল ফোরামেনঃ পেডিকলের মধ্যে যে ছিদ্র থাকে তাকে ইন্টারভার্টিব্রাল ফোরামেন বলে। এতে সুষুষ্মা স্নায়ু ও রক্তনালিকা থাকে।
(ii) ভার্টিব্রাল ফোরামেনঃ প্রতিটি কশেরুকায় যে বড় ছিদ্র থাকে তাকে ভার্টিব্রাল ফোরামেন বলে।
(iii) ভার্টিব্রাল ক্যানালঃ কশেরুকার ভার্টিব্রাল ফোরামেন গুলো মিলিত হয়ে গঠন করে ভার্টিব্রাল ক্যানেল।