(i) কৃমিনাশক হিসেবে ফেমিন বা ব্রোমালিন এনজাইম ব্যবহার হয়।
(ii) থ্রম্বিন দেহের রক্ত ক্ষরণ বন্ধ করে। ইউরোবাইলেজ নামক এনজাইম মস্তিষ্ক ও ধমনীর জমাট রক্ত গলাতে ব্যবহার করা হয়।
(iii) ইউরিকেজ ও ইউরিয়েজ এনজাইমের মাধ্যমে রক্তে ইউরিক এসিড ও ইউরিয়ার পরিমাণ নির্ণয় করা হয়।
(iv) ডায়াবেটিস রোগীর রক্তে শর্করার পরিমাণ নির্ণয়ের জন্য গ্লুকোজ অক্সিডেজ ও পারঅক্সিডেজ নামক এনজাইম ব্যবহার করা হয়।
(v) পেটের পীড়ায় অ্যামাইলেজ, পেপসিন, লাইপেজ ইত্যাদি এনজাইম ওষুধ হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
(vi) চোখের ছানির অস্ত্রোপচারে ট্রিপসিন ব্যবহার হয়।
(vii) প্রোটিওলাইটিক এনজাইম ব্যবহার করে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং মৃত্যুর ঝুকি অনেকটা কমানো সম্ভব হয়েছে।
(viii) দেহের ক্ষত স্থান পরিষ্কার করতে ট্রিপসিন এনজাইম ব্যবহার হয়।