১। জীবপ্রযুক্তি নিয়ে গবেষণার মুলনীতি সুনির্দিষ্ট হতে হবে। গবেষণা কাজের কর্মপরিকল্পনা, নিবন্ধন ও রিপোর্ট নিশ্চিত করতে হবে।
২। গবেষণাগারের যন্ত্রপাতি, উপকরণ, সুযোগ-সুবিধা ও যোগ্য গবেষক নিশ্চিত করতে হবে।
৩। গবেষণা কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিগণের সকল তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে।
৪। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার বিধানসমুহ অনুসরণ করতে হবে।
৫। ভৌত, জৈব ও রাসায়নিক দুষণ হ্রাসকরণ।
৬। গবেষণাগারে বিভিন্ন দ্রব্য ব্যবহারের নীতিমালা নির্ধারণ করতে হবে।
৭। জীবপ্রযুক্তি বিষয়ক শিল্প হতে সৃষ্ট জৈব দুষক নির্গমন হ্রাস ও নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
৮। জীবনিরাপত্তার বিধিমালা বাস্তবায়নের জন্য কমিটি গঠন করতে হবে।
৯। গবেষণাগার থেকে বিভিন্ন ধরনের GMO ও GMM যাতে বাইরে ছড়িয়ে পড়তে না পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
১০। পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর এমন জীবাণু মুক্ত না করা।
১১। GMO ও GMM প্রক্রিয়াজাতকরণ, বাজারজাতকারণ ও স্থানান্তরের সময় মনিটরিং করা।
১২। Risk Assessment, Risk Management এবং Risk Communication বিষয় গুলো অনুসরণ করা।
১৩। জীবনিরাপত্তা বিষয়ক নতুন নীতি নির্ধারণ, আইন প্রণয়ন এবং প্রয়োজনে নীতি ও আইন সংশোধনের ক্ষমতা রাখে।
GMO গবেষণা, উন্নয়ন ও উৎপাদন সম্পর্কে আইন রয়েছে। BCC এর অনুমতি ছাড়া GMO ও GMM ব্যবহার, আমদানী-রপ্তানী ও বেচা-কেনা সম্পুর্ণ নিষেধ। আইন অমান্যকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দুই বছরের জেল এবং ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা।