জীববৈচিত্র্যতার প্রকারভেদ

জীববৈচিত্র্যতা তিন প্রকার।

১। জিনগত বৈচিত্র্যঃ একই প্রজাতির অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন উদ্ভিদ বা প্রাণীর মধ্যে যে জিনগত পার্থক্য বা বিভিন্নতা দেখা যায় তাকে Genetic বা বংশগত জীববৈচিত্র্য বলে। একে অন্তঃপ্রজাতিক (intraspesific) বৈচিত্র্যও বলা হয়। যে প্রজাতির জিনগত বৈচিত্র্য বেশি তার অভিযোজন ক্ষমতাও বেশি। জিন রোগের প্রতি সংবেদনশীল হলে তা বংশ পরস্পরায় সঞ্চারিত হয়। মানুষ একই প্রজাতির (Homo sapien) হওয়া সত্ত্বেও জিনগত কারণে আকার, আকৃতি, গায়ের রং, চুলের বর্ণ প্রভৃতিতে অনেক পার্থক্য দেখা যায়।

২। প্রজাতিগত বৈচিত্র্যঃ দুই বা ততোধিক প্রজাতির উদ্ভিদ বা প্রাণীর মধ্যে যে পার্থক্য বা বিভিন্নতা দেখা যায় তাকে Specific বা প্রজাতিগত বৈচিত্র্য বলে। একে আন্তঃপ্রজাতিক (interspesific) বৈচিত্র্যও বলা হয়। যে অঞ্চলে পুষ্টি উপাদান ও আবহাওয়া অনুক‚ল সে অঞ্চলে প্রজাতি বৈচিত্র্য বেশি। যেমন- গ্রীষ্মমন্ডলীয় অঞ্চল।

৩। বাস্তুতাস্ত্রিক বৈচিত্র্যঃ বিভিন্ন ধরনের জীবের মধ্যে যে পরিবেশ বা বাস্তুসংস্থানিক  পার্থক্য বা বিভিন্নতা দেখা যায় তাকে Ecosystem বা পরিবেশগত বৈচিত্র্য বলে। প্রাকৃতিক পরিবেশের ভৌত, জৈব ও রাসায়নিক উপাদানের পরিবর্তন ঘটলে বাস্তুতাস্ত্রিক বৈচিত্র্যের উদ্ভব ঘটে। যেমন- মরু বায়োম, বনভুমির বায়োম, তৃণভুমির বায়োম, তুন্দ্রা বায়োম প্রভৃতি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *