গর্ভাশয়ের অমরা হতে সৃষ্ট যে কোষ নিষেকের পর বীজে পরিনত হয় তাকে ডিম্বক বলে। ডিম্বকের ভিতরে ডিম্বাণু থাকে।
অবস্থানের উপর ভিত্তি করে ডিম্বক ৪ প্রকার।
১। উর্ধ্বমূখী ডিম্বক (Orthotropous)ঃ যে ডিম্বকের ডিম্বকনাভি, ডিম্বকমূল ও ডিম্বকরন্ধ্র এক সরলরেখায় অবস্থান করে এবং ডিম্বকরন্ধ্র উপরের দিকে থাকে তাকে উর্ধ্বমূখী ডিম্বক বলে। যেমন- পান, পানি মরিচ বা বিষকাটালী (Polygonum orientale), গোলমরিচ (Piper nigram) ইত্যাদি।
২। অধোমূখী ডিম্বক (Anatropous)ঃ যে ডিম্বকের ডিম্বকমূল উপরের দিকে, ডিম্বকরন্ধ্র নিচের দিকে এবং ডিম্বকনাভি ডিম্বকরন্ধ্রের পাশে থাকে তাকে অধোমূখী ডিম্বক বলে। যেমন- শিম, রেড়ী, মটর, ছোলা (Cicer arietinum) ইত্যাদি।
৩। পার্শ্বমূখী ডিম্বক (Amphitropous)ঃ যে ডিম্বক বৃন্তের সাথে লম্বভাবে যুক্ত থাকে এবং ডিম্বকরন্ধ্র ও ডিম্বকমূল বিপরীত ভাবে অবস্থান করে তাকে পার্শ্বমূখী ডিম্বক বলে। যেমন- পপি (আফিম), ক্ষুদিপানা, চায়না পিঙ্ক (Dianthus chinensis), ছোটোকুট (Sagittaria sagittifolia) ইত্যাদি।
৪। বক্রমূখী ডিম্বক (Campylotropous)ঃ যে ডিম্বকের ডিম্বকরন্ধ্র ডিম্বকনাভির পাশে অবস্থান করে তাকে বক্রমুখী ডিম্বক বলে। যেমন- কালকাসুন্দা (Cassia sophera), সরিষা (Brassica nigr) ইত্যাদি।
৫। অর্ধমুখী ডিম্বক (Semi-anatropous)ঃ অর্ধমুখী ডিম্বকের ভ্রুণস্থল অশ্বক্ষুরাকৃতির হয়। যেমন- পালিক, ছোটকুট প্রভৃতি।