১। তরুণাস্থি বিভিন্ন অঙ্গের টান ও চাপ প্রতিরোধ করে।
২। বিভিন্ন অঙ্গের আকৃতি দান করে।
৩। অস্থিসন্ধিতে দুই বা ততোধিক অস্থিকে সংযুক্ত হতে সাহায্য করে।
৪। অস্থিকে ঘর্ষণের আঘাত থেকে রক্ষা করে।
৫। টেনডন ও লিগামেন্টকে অস্থির সাথে যুক্ত হতে সহায়তা করে।
৬। তরুণাস্থির লুব্রিসিন নামক গ্লাইকোপ্রোটিন লুব্রিকেটর হিসেবে কাজ করে।
৭। মেরুদন্ডী প্রাণীদের ভ্রুণীয় কঙ্কাল এবং কনড্রিকথিস জাতীয় মাছের অন্তঃকঙ্কাল গঠন করে।