১। হাতে, পায়ে, মাথায়, পিঠে, পেটে, কোমরে ও নখে রোগ সংক্রমণ ঘটে।
২। চুলকানির স্থানটি লাল বর্ণের গোলাকার চাকতির মতো দেখায়।
৩। ধীরে ধীরে গোলাকার চাকতির আকার বৃদ্ধি পায়, মাঝখানের ত্বক স্বাভাবিক থাকে এবং চুলকানি বৃদ্ধি পায়।ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৪। আক্রান্ত স্থানের প্রান্তসীমা উঁচু-নিচু এবং অমসৃণ হয়। তীব্র সংক্রমণে স্থানটি লাল হয়ে যায়।ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৫। হাতে লাল দাগ বা ফুসকুড়ি দেখা যায়। তালুর ভাঁজে এবং আঙ্গুলের পাশে দাগ হয়।ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৬। নখে দাগ দেখা যায়, বিবর্ণ হয়ে যায়, বিকৃত হয়ে যায় এবং নখ শুকিয়ে খন্ড খন্ড হয়ে ভেঙ্গে যায়।ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৭। পায়ের পাতায় দাগ দেখা যায়।
৮। চামড়ায় দানার মতো ফুসফুঁড়ি দেখা যায়। আক্রান্ত স্থানে বাদামী বর্ণের আঁইশ দেখা যায়।ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৯। আক্রান্ত স্থানে বৃত্তাকার রিং সৃষ্টি হয়।
১০। মাঝে মাঝে লাল ক্ষত সৃষ্টি হয়। ক্ষতের সুনির্দিষ্ট সীমানা থাকে। ক্ষতে ছোট ছোট শল্ক প্রলেপ থাকে।
১১ আক্রান্ত স্থানের চারপাশের চামড়া ফুলে ওঠে, চুলকানি হয় এবং আঠালো রস বা কষাণী ঝরে।ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
১২। ত্বকের স্বাভাবিক রং নষ্ট হয়ে যায় এবং চামড়া ফেঁটে যায়।
১৩। মাথার খুলিতে দাগ দেখা যায় এবং মাথার চুল পড়ে যায়।
১৪। কুঁকচিতে দাগ দেখা যায়। কুঁচকিতে চুলকায়।ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
১৫। ত্বকের কেরাটিন প্রোটিন নষ্ট করে দেয়। এক্ষেত্রে কেরাটিনেজ এনজাইম সহায়তা করে।ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স