১। চামড়া পরিষ্কার ও শুষ্ক রাখা।
২। ঢোলা ঢেলা আরামদায়ক কাপড় পড়া।
৩। আবদ্ধ ঘরে খালি পায়ে না হাটা।ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৪। মাথায় রোগ হলে ন্যাড়া করে সেলিসাইলিক এসিড মলম ব্যবহার করা
৫। রাতে ব্যবহৃত কাপড় ও বিছানা পরিষ্কার করা।ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৬। রোগাক্রান্ত ব্যক্তির পোষাক, তোয়ালে, রুমাল, চিরুনী প্রভৃতি ব্যবহার না করা। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
৭। রোগীর বিছানাপত্র ও কাপড় সিদ্ধ করতে হবে।
৮। রোগীর থালা-বাসন আলাদা রাখা।
৯। ছত্রাকনাশক ক্রিম বা পাউডার ব্যবহার করা।
১০। ছত্রাকনাশক সাবান ব্যবহার করা। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
১১। রোগাক্রান্ত প্রাণী স্পর্শ না করা।
১২। এন্টিফাংগাল ক্রিম বা ড্রাইপাওডার ব্যবহার করা।
১৩। আক্রান্ত স্থানে আয়োডিন, বেনজোয়িক এসিড ও বেস্টমেন্ট ব্যবহার করতে হবে। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
১৪। আক্রান্ত স্থান চুলকিয়ে দাদ মর্দন (Cassia alata) পাতার রস লাগালে ২/৩ দিনে ভাল হয় ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
১৫। নখে দাদ হলে মরা অংশ তুলে তাতে ক্রমাগত টিনচার আয়োডিন প্রয়োগ করতে হবে। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
১৬। রোগের প্রকোপ বেশি হলে Griseofulvin 500 mg অথবা Terbinafine 50 mg ওষুধ নিয়মিত খেলে দাদ রোগ ভাল হয়।
১৭। দাদ রোগে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী মাইকোনাজল, কেটোকোনাজল, ইকোনাজল যুক্ত ক্রিম বা লোশন ব্যবহার করতে হবে। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
১৮। সুতার মোজা এবং অন্তর্বাস ব্যবহার করতে হবে। ড.সিদ্দিকপাবলিকেশন্স
১৯। গোসলের পর শরীর ভালভাবে মুছতে হবে।