বাংলাদেশে আশির দশকে সর্বপ্রথম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগে টিস্যু কালচার শুরু হয়। পরে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানে প্রসার লাভ করে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিস্যু কালচার
১। বিভিন্ন প্রকার দেশি-বিদেশি অর্কিডের চারা উৎপাদন।
২। রোগ প্রতিরোধক্ষম কলার চারা উৎপাদন।
৩। চন্দ্রমল্লিকা,গ্ল্যাডিওলাস, লিলি, কার্নেশন প্রভৃতি ফুলের চারা উৎপাদন।
৪। কদম, জারুল, ইপিল ইপিল, বক ফুল, সেগুন, নিম প্রভৃতির চারা উৎপাদন।
৫। ডাল জাতীয় ফসলের টিস্যু কালচার করা হয়েছে।
৬। পাটের ভ্রুণ কালচার ও চারা উৎপাদন।
৭। গোল আলুর রোগমুক্ত চারা উৎপাদন।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের টিস্যু কালচার
১। বেলের চারা উৎপাদন।
২। স্ট্রেবেরীর চারা উৎপাদন।
৩। আকাশমনি, ইপিল ইপিল, মেহগনি, কেশরদম ও কাঁঠালের চারা উৎপাদন।
৪। তরমুজের চারা উৎপাদন।
৫। মুগ কলাই ও মাষ কলাই ফসলের টিস্যু কালচার করা হয়েছে।
৬। গোলাপ, গ্ল্যাডিওলাস, লালপাতা, অর্কিড প্রভৃতির চারা উৎপাদন।
৭। গোল আলুর রোগমুক্ত চারা উৎপাদন।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের টিস্যু কালচার
১। গোল মরিচের চারা উৎপাদন।
২। কাঁঠালের চারা উৎপাদন।
৩। ইপিল ইপিল ও কেশরদমের চারা উৎপাদন।
৪। গোলাপ, লালপাতা, গ্ল্যাডিওলাস, অর্কিড প্রভৃতির চারা উৎপাদন।
৫। ডাল জাতীয় ফসলের টিস্যু কালচার করা হয়েছে।
৬। গোল আলুর চারা উৎপাদন।
৭। মেহগনি ও কেলিকদমের চারা উৎপাদন।
৮। শীতপ্রধান দেশের স্ট্রবেরীর চারা উৎপাদন।
চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের টিস্যু কালচার
১। দেশি-বিদেশি অর্কিডের চারা উৎপাদন।
২। কাঁঠালের চারা উৎপাদন।
৩। চন্দ্রমল্লিকা, গ্ল্যাডিওলাস, লিলি প্রভৃতি ফুলের চারা উৎপাদন।
৪। ইপিল ইপিল, বক ফুল, নিম প্রভৃতির চারা উৎপাদন।
৫। মুগ ও মাষকলাই এর রোগ প্রতিরোধী জাত উৎপাদন।