১। কীটনাশক প্রয়োগ করতে হয় না। উৎপাদন খরচ কম হয়।
২। ইহা বিষক্রিয়া ঘটায় না এবং ক্যান্সারের ঝুকি থাকে না।
৩। মাটি ও পরিবেশ বিষমুক্ত থাকবে।
৪। জলাশয় এবং পানি বিষমুক্ত থাকবে।
৫। ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।
৬। পোকা–মাকড়ের আক্রমণ ঘটে না বলে ফসল নষ্ট হয় না।
৭। পোকার আক্রমণ রোধে ৬০–১৮০ বার কীটনাশক প্রয়োগ করতে হতো। বিটি বেগুনে কীটনাশক প্রয়োগ করতে হয় না।