১। মাথার ত্বকে দাদ (Tinea Capitis)ঃ মাথার ত্বকে যে দাদ হয় তাকে টিনিয়া ক্যাপিটিস বলে। এ সংক্রমণ অল্প বয়সী ছেলে–মেয়েদের বেশি ঘটে। আক্রান্ত স্থানের চুল পড়ে যায় এবং প্রদাহ সৃষ্টি হয়।
২। এথলেটস ফুট (Athlets Foot)ঃ হাত ও পায়ের ত্বকে যে দাদ হয় তাকে এথলেটস ফুট বলে। হাতের তালুর ভাঁজে, আঙ্গুলের পাশে এবং পায়ের মাঝে রোগের সংক্রমণ বেশি হয়। ত্বক শুষ্ক হয়, লালচে ও খসখসে হয় এবং খোসপাঁচড়ার মতো চুলকায়। মাঝে মাঝে ত্বকে ফুসকুড়ি দেখা যায়।
৩। শরীরে দাদ (Tinea Corporis)ঃ শরীরের ত্বকে যে দাদ হয় তাকে টিনিয়া কর্পোরিস বলে। হাত, পা, পেট ও পিঠে লালচে রিং বা গোলাকার দাগ দেখা যায়। রিং এর কিনারা আঁইশের মতো এবং মাঝের অংশ পরিষ্কার।
৪। কুঁচকির দাদ (Tinea Cruris)ঃ কুঁচকির ত্বকে যে দাদ হয় তাকে টিনিয়া ক্রুরিস বলে। একে Jock Itchও বলা হয়। যেসব পুরুষ বেশি ঘামে তাদের এ চর্মরোগ বেশি হয়। কুঁচকি চুলকায় এবং লাল ফুসকুড়ি দেখা যায়।