বেলুন স্টেনটিং (রিং) করোনারী অ্যানজিওপ্লাস্টি পদ্ধতি । ড. সিদ্দিক পাবলিকেশন্স

১। অ্যানজিওগ্রাম করে নিশ্চিত হওয়ার পর সার্জারী করা হয়।

২। অ্যানজিপ্লাস্টি শুরুর আগে রোগীর হৃদস্পন্দন, রক্তচাপ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

৩। রোগীর ব্যথা রোধের জন্য কুঁচকি বা বাহুর ত্বকে লোকাল অ্যানেসথেসিয়া প্রয়োগ করে অবশ করা হয়।

৪। মোটা সুঁই দিয়ে কুঁচকি অথবা বাহুর প্রধান রক্তনালিতে একটি ছিদ্র করা হয়।

৫। ছিদ্রের মধ্য দিয়ে একটি গাইড ক্যাথেটার (সরু, নমনীয় লম্বা নল) প্রবেশ করানো হয়।

৬। গাইড ক্যাথেটারের প্রান্তটি করোনারী ধমনীর অ্যাথারোমা অংশে প্রবেশ করানো হয়।

৭। গাইড ক্যাথেটারের মাধ্যমে স্ট্যান্ট দ্বারা আবৃত একটি বেলুন ক্যাথেটার পাঠানো হয়।

৮। ধমনীর প্লাক অঞ্চল চিহ্নিত করার জন্য ক্যাথেটারের ভিতরে রঞ্জক পদার্থ প্রবেশ করানো হয়। এপদ্ধতিকে ফ্লুরোস্কোপি (fluoroscopy) বলে। ক্যাথেটার সুনির্দিষ্ট স্থানে পৌছালো কিনা তা পর্যবেক্ষণে রঞ্জক পদার্থ সহায়তা করে। মনিটরের সাহায্যে ইহা পর্যবেক্ষণ করা হয়।

৯। ধমনীর অ্যাথারোমা অংশে বেলুন স্ট্যান্ট পৌছানোর ৩০৬০ সেকেন্ডের মধ্যে বেলুনটি ফুলানো হয়।এতে অ্যাথারোমা অংশের চর্বি চেপে যায় এবং ধমনীর সরু পথ প্রসারিত হয়।

১০। বেলুন দ্বারা ধমনীর প্রসারিত অংশে ধাতব স্ট্যান্ট বা রিংটি স্থাপন করা হয়। রিং স্থাপনের পর বেলুনসহ ক্যাথেটার বের করে আনা হয়।

১১। রিংটিতে ওষুধের প্রলেপ থাকে যা সর্বদা ধমনীতে মুক্ত হয়। মুক্ত ওষুধ ধমনীর চর্বিকে গলায় এবং পুনরায় ø তৈরীতে বাঁধা দেয়।

১২। একবার অ্যানজিওপ্লাস্ট করতে ৩০৪০ মিনিট সময় লাগে এবং রোগীকে একদিন চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণে থাকতে হয়।

অনেকসময় বেলুনের চাপে ধমনীর সরু স্থান প্রসারিত হয় না। ফলে অ্যানজিওপ্লাস্টি সম্ভব হয় না এবং রোগীকে ঈঅইএ সার্জারি করানো হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *