ভ্রুণথলী ।। ভ্রুণথলীর প্রকারভেদ ।। Embryo Sac

নিউসেলাসের ভিতরে অবস্থিত থলির মতো যে অংশ ডিম্বাণু বহন করে তাকে ভ্রুণথলী বলে। ভ্রুণথলী তিন প্রকার।
১। মনোস্পোরিক (Monosporic)ঃ যে ভ্রুণথলীতে একটি মাত্র স্ত্রীরেণু থাকে তাকে মনোস্পোরিক বলে। উদ্ভিদ জগতে প্রায় ৭৫% হলো মনোস্পোরিক। ১৮৭৯ সালে স্ট্রাসবার্গার (Strusberger) সর্বপ্রথম Polygonum divaricatum উদ্ভিদের মনোস্পোরিক ভ্রুণথলীর গঠন বর্ণনা করেন। মনোস্পোরিক ভ্রুণথলী দুই ধরনের।
(i) ওয়েনোথেরা টাইপ (Oenothera)ঃ ওয়েনোথেরা হলো ৪ নিউক্লিয়াসবিশিষ্ট ভ্রুণথলী। যেমন- Oenothera lamarckiana.
(ii) পলিগোনাম টাইপ (Polygonum)ঃ পলিগোনাম হলো ৮ নিউক্লিয়াসবিশিষ্ট ভ্রুণথলী। যেমন- Polygonum hydropiper.
২। বাইস্পোরিক (Bisporic)ঃ যে ভ্রুণস্থলীতে দুইটি স্ত্রীরেণু থাকে তাকে বাইস্পোরিক বলে। বাইস্পোরিক ভ্রুণথলী দুই ধরনের।
(i) আলিয়াম টাইপ (Allium)ঃ আলিয়াম হলো ৮ নিউক্লিয়াসবিশিষ্ট ভ্রুণথলী। যেমন- Allium cepa.
(ii) অ্যান্ডিমিওন টাইপ (Endymion)ঃ অ্যান্ডিমিওন হলো ৮ নিউক্লিয়াসবিশিষ্ট ভ্রুণথলী। যেমন- Endymion hispanica.
৩। টেট্রাস্পোরিক (Tetrasporic)ঃ যে ভ্রুণথলীতে চারটি স্ত্রীরেণু থাকে তাকে টেট্রাস্পোরিক বলে। টেট্রাস্পোরিক ভ্রুণথলী ৭ প্রকার।
(i) অ্যাডোক্সা টাইপ (Adoxa)ঃ অ্যাডোক্সা ভ্রুণথলী ৮ নিউক্লিয়াসবিশিষ্ট। যেমন- Adoxa moschatellina.
(ii) পেপেরোমা টাইপ (Peperomia)ঃ পেপেরোমা হলো ১৬ নিউক্লিয়াসবিশিষ্ট ভ্রুণথলী। যেমন- Peperomia pellucida.
(iii) প্যানিয়া টাইপ (Penia)ঃ প্যানিয়া হলো ১৬ নিউক্লিয়াসবিশিষ্ট ভ্রুণথলী।
(iv) ড্রুসা টাইপ (Drusa)ঃ ড্রুসা ভ্রুণথলী ১৬ নিউক্লিয়াসবিশিষ্ট। যেমন- Drusa amatista.
(v) ফ্রিটিলিয়ারিয়া টাইপ (Fritilliaria)ঃ ফ্রিটিলিয়ারিয়া ভ্রুণথলী ৮ নিউক্লিয়াসবিশিষ্ট। যেমন- Fritilliaria imperialis.
(vi) প্লুমবাজেলা টাইপ (Plumbagella)ঃ প্লুমবাজেলা হলো ৮ নিউক্লিয়াসবিশিষ্ট ভ্রুণথলী। যেমন- Plumbagella micrantha.
(viii) প্লুমবাগা টাইপ (Plumbaga)ঃ প্লুমবাগা হলো ১৬ নিউক্লিয়াসবিশিষ্ট ভ্রুণথলী। যেমন- Plumbaga zeylanica.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *