১। লেজার অ্যানজিপ্লাস্টি শুরুর আগে রোগীর হৃদস্পন্দন, রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
২। রোগীর ব্যথা রোধের জন্য কুঁচকি বা বাহুর ত্বকে লোকাল অ্যানেসথেসিয়া প্রয়োগ করে অবশ করা হয়।
৩। মোটা সুঁই দিয়ে কুঁচকি অথবা বাহুর প্রধান রক্তনালিতে একটি ছিদ্র করা হয়।
৪। ছিদ্রের মধ্য দিয়ে একটি গাইড ক্যাথেটার (সরু, নমনীয় ও লম্বা নল) প্রবেশ করানো হয়।
৫। গাইড ক্যাথেটারের প্রান্তটি করোনারী ধমনীর অ্যাথারোমা অংশে প্রবেশ করানো হয়।
৬। গাইড ক্যাথেটারের মাধ্যমে একটি লেজার ক্যাথেটার পাঠানো হয়।
৭। ধমনীর প্লাক অঞ্চল চিহ্নিত করার জন্য ক্যাথেটারের ভিতরে রঞ্জক পদার্থ প্রবেশ করানো হয়। এ পদ্ধতিকে ফ্লুরোস্কোপি (fluoroscopy) বলে। ক্যাথেটার সুনির্দিষ্ট স্থানে পৌছালো কিনা তা পর্যবেক্ষণে রঞ্জক পদার্থ সহায়তা করে। X-ray মনিটর দ্বারা ইহা পর্যবেক্ষণ করা হয়।
৮। ধমনীর প্লাকযুক্ত অংশে পৌঁছার পর লেজার রশ্মি স্তরে স্তরে প্লাক ধ্বংস করে দেয়। ধ্বংস প্রাপ্ত প্লাক বাষ্পীভূত হয়ে যায়।
৯। ফলে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হয়ে যায়।